...
...
Next Story

DCP Shantanu: দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পরে অবশেষে ইডির অফিসে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাস

DCP Shantanu Sinha Biswas: ১৯ এপ্রিল শান্তনুর বালিগঞ্জ ফার্ন রোডের বাড়িতে হাজির হন ইডির অফিসাররা। ইডির আধিকারিকরা জানান, বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর মামলা সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় সেই অভিযান চালানো হয়। এছাড়া তাঁর ভাড়া দেওয়া বাড়িতে হানা দেয় ইডি। প্রায় ২০ ঘণ্টা তল্লাশি চলেছিল।

Published on: May 14, 2026, 12:48:24 IST
Advertisement

DCP Shantanu Sinha Biswas: দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পরে অবশেষে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাস। সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত মামলা, বালি পাচার, এনআরআই কোটায় ছেলেক ভর্তি করানোর মামলায় অভিযোগ রয়েছে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসির বিরুদ্ধে। আজ তাঁকে সোনা পাপ্পু মামলায় জেরা করা হচ্ছে। আজ নিজের সঙ্গে দুই আইনজীবীকে সঙ্গে করে নিয়ে আসেন এই পুলিশ কর্তা। শান্তনুর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে।

দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পরে অবশেষে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাস।
দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পরে অবশেষে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, ১৯ এপ্রিল শান্তনুর বালিগঞ্জ ফার্ন রোডের বাড়িতে হাজির হন ইডির অফিসাররা। ইডির আধিকারিকরা জানান, বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর মামলা সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় সেই অভিযান চালানো হয়। এছাড়া তাঁর ভাড়া দেওয়া বাড়িতে হানা দেয় ইডি। প্রায় ২০ ঘণ্টা তল্লাশি চলে। পরে শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের পুত্রকে নিয়ে ইডির টিম পার্ক স্ট্রিটের অকল্যান্ড রোডে যায়। সেখানে শান্তনু পুত্রের একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। শান্তনুর ছেলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে মিলে নাকি প্রভাব খাটিয়ে তোলাবাজি করতেন শান্তনু। এর আগে জয় কামদারকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অতীতেও তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সময় তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, জয়ের বাড়ি থেকে মোট ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিলেন কেন্দ্রীয় অফিসাররা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks