Infiltrators deport to Bangladesh: ধরব, BSF-র হাতে দেব, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য 'ডিপোর্ট' আইন চালু শুভেন্দুর
Illgeal immigrants deport to Bangladesh: অনুপ্রবেশকারীদের ধরে বাংলাদেশে পাঠাব, ‘ডিপোর্ট’ আইন চালু করে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কাদের কাদের ছাড় দেওয়া হবে?
অনুপ্রবেশকারীদের ধরে-ধরে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এতদিন কেন্দ্রীয় সরকারের 'ডিটেক্ট, ডিলিট এবার ডিপোর্ট' আইন কার্যকর হয়নি রাজ্যে। আজ থেকে সেই আইন কার্যকর হয়ে গেল। তার ফলে অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেফতার করে বিএসএফের হাতে তুলে দেবে রাজ্য পুলিশ। আর বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সেই অনুপ্রবেশকারীদের পড়শি দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু। সেইসঙ্গে তিনি শরণার্থীদের আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, যাঁরা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় আছেন, তাঁদের কোনও সমস্যা হবে না। তাঁদের কোনওরকম হেনস্থার মুখে পড়তে হবে না বলেও আশ্বস্ত করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

অনুপ্রবেশ নিয়ে শুভেন্দুর কড়া বার্তা
তিনি বলেছেন, ‘সিএএয়ের আওতায় যাঁরা নেই, তাঁরা হলেন সম্পূর্ণভাবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। রাজ্য পুলিশ তাঁদেরকে সরাসরি গ্রেফতার করবে, আটক করবে এবং বিএসএফের হাতে তুলে দেবে। বিএসএফ বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ডিপোর্ট করার ব্যবস্থা চালু করবে। অর্থাৎ ডিটেক্ট, ডিলিট এবার ডিপোর্ট -আজ থেকে এই আইন কার্যকর করা হল। ডিজিপি এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে বলে দেওয়া হল যে সীমান্ত-লাগোয়া সমস্ত থানায় এই আইন দেশের স্বার্থে, পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থে আমরা আজ থেকে কার্যকর করলাম।’
বিএসএফের হাতে জমি তুলে দিল শুভেন্দু সরকার
তারইমধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফের হাতে ইতিমধ্যে ২৭ কিলোমিটার জমি তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গকে সুরক্ষিত করে তুলতে কাজ করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারও চাইলে সেই কাজটা করতে পারত বলে দাবি করেন শুভেন্দু।
'চাইলেই মমতা সরকার জমি দিতে পারত'
পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ-সহ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চারটি রাজ্যের সীমান্ত আছে। বিএসএফের চাহিদা ও প্রয়োজন মতো বাকি রাজ্যগুলি জমি দিলেও মমতা সরকার টালবাহানা করেছে। ২,২০০ কিমির মধ্যে ১,৬০০ কিমি অংশে কাঁটাতারের বেড়া আছে। ৬০০ কিমি অংশে কাঁটাতার নেই। মমতা সরকার চাইলেই ৫৫০ কিমি জমি তুলে দিতে পারত বিএসএফের হাতে। কিন্তু সেই কাজটা করেনি তোষামদের রাজনীতির জন্য।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


