Digha Jagannath Mandir: 'সনাতনী ভাবাবেগে আঘাত', দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে ‘ধাম’ বাদ, কী নামে ডাকা হবে?
Digha Jagannath Mandir: 'সনাতনী ভাবাবেগে আঘাত', দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে ‘ধাম’ বাদ দেওয়ার ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে কী নামে ডাকা হবে এবার থেকে? সেটাও জানালেন তিনি।
দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে 'ধাম' শব্দ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘ধাম লিখে যা করা হয়েছে, তা সনাতন সংস্কৃতি এবং ভারতীয় সংস্কৃতির নিরিখে সঠিক নয়। আমি বিস্তারিতভাবে নথিপত্র খতিয়ে দেখেছি। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ববর্তী সরকার যে প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিল, তাতে নাম ছিল শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম কালচারাল সেন্টার। সরকারের টাকায় তৈরি করেছিল। টেকনিক্যালি কালচারাল সেন্টারের নামে তৈরি করেছিল। আর ধাম শব্দটা ঢুকিয়ে দিয়েছিল। আজ মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি গ্রহণ করছি। দ্রুত আমরা নাম থেকে ধাম শব্দটা বাদ দিয়ে দেব। ওখানে কালচারাল সেন্টার কমপ্লেক্স থাকবে।’

ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, পদক্ষেপ শুভেন্দুর
আর তিনি সেই ঘোষণা করেছেন পুরীর বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্রের উপস্থিতিতে। গত বছর দিঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময়ই ‘ধাম’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। আজ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে ‘ধাম’ শব্দ সরানোর অনুরোধপত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন পুরীর সাংসদ।
শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি জারি করবে রাজ্য সরকার
সেই অনুরোধপত্রের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়টা তাঁদের মনে ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের মন্ত্রিসভা যে প্রস্তাব পাশ হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল যে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে ‘ধাম’ শব্দ যুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। যা আদতে সনাতন ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত। সেই পরিস্থিতিতে এখন থেকে ‘ধাম’ শব্দ মুছে ফেলা হচ্ছে দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে। শীঘ্রই সেই মর্মে রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।
নয়া নাম কী হচ্ছে?
সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পুরো কমপ্লেক্সটা কালচারাল সেন্টার বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হবে। আর যেখানে পুজোপাঠ হবে, সেটা পরিচিত হবে জগন্নাথ মন্দির নামেই। সনাতন ধর্মের যাবতীয় রীতিনীতি মেনে সেখানে জগন্নাথদেবের আরাধনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘যেখানে ঠাকুরের পুজোপাঠ হয়, সেটা শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির নামেই পরিচিত হবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


