...
...
Next Story

Dilip Ghosh on Mamata: 'সঙ্গে যাওয়ার কেউ নেই',বারুইপুর কাণ্ডে মমতার প্রতিবাদ কর্মসূচিকে 'মর্নিং ওয়াক' কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

বারুইপুর ধর্ষণ-খুন মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। এই আবহে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'সঙ্গে যাওয়ার তো কেউ নেই। একা মর্নিং ওয়াকে যাবে, যাক।'

Published on: Jul 8, 2026, 11:50:31 IST
Advertisement

Dilip Ghosh on Mamata: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কলকাতায় মিছিল করার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে এই কর্মসূচি করার ছাড়পত্র মিলেছে। এই আবহেই বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। শাসকদলের পক্ষ থেকে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে গুরুত্ব না দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বারুইপুর ধর্ষণ-খুন মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। (PTI)
বারুইপুর ধর্ষণ-খুন মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। (PTI)

বুধবার সকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিল প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'সঙ্গে যাওয়ার তো কেউ নেই। একা মর্নিং ওয়াকে যাবে, যাক।' তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, শুধুমাত্র মিছিল বা প্রতিবাদ করলেই আইনশৃঙ্খলার সমস্যা মিটবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপই সবচেয়ে জরুরি। তিনি বলেন, বারুইপুরের মতো নৃশংস ঘটনার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না। আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

প্রসঙ্গত, বারুইপুরে ১১ বছরের এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্ত চলাকালীন এক অভিযুক্ত ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পাল্টা গুলিতে তার মৃত্যু হয়। পাশাপাশি গণপিটুনি, ভাঙচুর এবং পুলিশের উপর হামলার ঘটনাতেও একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। একদিকে বিরোধী শিবির রাজ্য সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করছে, অন্যদিকে শাসকদল দাবি করছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিল এবং তাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe