Kharagpur Sadar Election Result: সক্রিয় রাজনীতিতে কামব্যাকের পরই পুরনো আসন খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ের হাসি হাসলেন দিলীপ ঘোষ। প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন তিনি। কিন্তু এই বিপুল জয়ের পরেও মন্ত্রিত্বের প্রশ্নে নীরব, সংযত দিলীপ ঘোষ। বরং কড়া আক্রমণ করলেন বিরোধীদের। অন্যদিকে, দিলীপ ঘোষের এই জয়কে বিয়ের সবথেকে বড় রিটার্ন গিফট বলছেন দিলীপপত্নী রিঙ্কু মজুমদার।

বাংলায় বিজেপির উত্থানের নেপথ্যে অন্যতম কারিগরদের মধ্যে নিঃসন্দেহে দিলীপ ঘোষ একজন। তাঁর হাত ধরেই ধীরে ধীরে রাজ্যে জমি শক্ত করেছে গেরুয়া শিবির। পরবর্তীতে নতুন মুখেদের আগমনে খানিকটা হলেও ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। বলা ভালো, তাঁকে কোণঠাসা করা হয়েছিল। চব্বিশে তার ফলে খানিকটা ধাক্কাও খেতে হয়েছিল বিজেপিকে। এসবের মাঝেই আচমকা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন দিলীপ। শোনা যায়, শীর্ষ নেতৃত্ব তা নিয়ে প্রথমদিকে খানিক আপত্তিও করেছিল। কিন্তু দিলীপ ঘোষ কোনওদিনই সে সবের তোয়াক্কা করেননি। পরবর্তীতে দলের সঙ্গে মান-অভিমান কমেছে। ছাব্বিশের বৈতরণী পার করতে দিলীপকে যে লাগবেই, তা ভালোই বুঝেছিল দল। তাই মান ভাঙানোর পাশাপাশি পছন্দের খড়গপুর সদর আসন তাঁকেই দিয়েছে দল।
এবারও নিজের রাজনৈতিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন দিলীপ। ৩০ হাজারের বেশি মার্জিনে জিতেছেন তিনি। স্বামীর এই জয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছেন দিলীপজায়া রিঙ্কু। মানুষের রায়ে বিপুল ভোটে জয়ের পরদিন সকাল থেকেই দিলীপ ঘোষের বাংলোতে দলীয় কর্মীর সমর্থকদের মিষ্টিমুখ করান রিঙ্কু মজুমদার। তিনি বলেন, 'খড়গপুরবাসীর মতো আমিও ওনাকে অভিনন্দন জানাব। ভালো হয়েছে। এই ডিফারেন্সটা দরকার ছিল। আরও বেশি লিড পেলে আরও ভালো হত।' বিয়ের পরে কী এটাই সব থেকে বড় রিটার্ন গিফট? কী মনে করছেন? প্রশ্নে সহাস্যে রিঙ্কুর জবাব, 'একদমই তাই। আমি আশা করেছিলাম। পজেটিভ মানুষেরা সব সময় পজেটিভ-ই ভাবে।' তবে দিলীপ ঘোষ মন্ত্রী হবেন কী হবেন না? কোন দফতর পাবেন? সেই সবটাই সময় ও 'উপরওয়ালার' হাতে ছাড়েন দিলীপপত্নী। বলেন,'আমাদের মিশনটাই প্রায়োরিটি থাকে। যারা মিশন ওরিয়েন্টেড হন, তাঁদের কাছে পাওনা, অ্যাচিভমেন্ট এগুলো অ্যাড অন রেসপনসিবিলিটি। পার্ট অফ লাইফ। দল কী দায়িত্ব দেবে না দেবে, সেটা দলের ব্যাপার। মানুষ ওনাকে পছন্দ করে, মানে, সম্মান করে। বাকি তো উপরওয়ালা জানেন।' তিনি আরও জানান, আজ তাঁর ছেলে বেঁচে থাকলেও, দিলীপ ঘোষের এই জয়ে খুব খুশি হতেন।
এ নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে নারাজ দিলীপ ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, 'আগে মন্ত্রিসভা গঠন হোক, তারপর দেখা যাবে। দল আমাকে বিধায়ক হওয়ার জন্য টিকিট দিয়েছিল, আমি জিতে সেটাই দলকে ফিরিয়ে দিয়েছি।' তবে বুধবার সকালেই ফের চেনা মেজাজে ধরা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ প্রতিদিনের মতো ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণ করেছেন। এদিন পুলিশ কর্মীদের মিষ্টিমুখও করান তিনি। চেনা মেজাজে এদিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন তিনি। বললেন, 'উনি কাউকে বিশ্বাস করেননি, তাই বাংলার মানুষও ওকে বিশ্বাস করেনি।'
{{/usCountry}}এ নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে নারাজ দিলীপ ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, 'আগে মন্ত্রিসভা গঠন হোক, তারপর দেখা যাবে। দল আমাকে বিধায়ক হওয়ার জন্য টিকিট দিয়েছিল, আমি জিতে সেটাই দলকে ফিরিয়ে দিয়েছি।' তবে বুধবার সকালেই ফের চেনা মেজাজে ধরা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ প্রতিদিনের মতো ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণ করেছেন। এদিন পুলিশ কর্মীদের মিষ্টিমুখও করান তিনি। চেনা মেজাজে এদিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন তিনি। বললেন, 'উনি কাউকে বিশ্বাস করেননি, তাই বাংলার মানুষও ওকে বিশ্বাস করেনি।'
{{/usCountry}}