নন-টেট শিক্ষকদের নিয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থানের স্পষ্ট করার দাবি উঠল। সেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, শিক্ষা দফতর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে চিঠি দেওয়া হল। ওই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানিয়েছেন, মূলত দুটি দাবি তোলা হয়েছে। প্রথমত, ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগেই যে যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, সেটার মাধ্যমে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের টেট-মুক্ত হিসেবে উল্লেখ করে দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে যেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের কাছে কোনও নন-টেট শিক্ষকের নাম না পাঠানো হয়, যাতে রাজ্যের শিক্ষকরা ভবিষ্যতে কোনও আইনি বা প্রশাসনিক বিপদের সম্মুখীন না হন।
তৎকালীন বিধি মেনেই নিয়োগ করা হয়েছিল, উঠল দাবি

শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে, মূলত চারটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। ওই সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগেই যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, সেটার মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ার শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে টেট উত্তীর্ণ হওয়ার তালিকা থেকে বাদ রাখা উচিত। কারণ তাঁদের নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে তৎকালীন প্রচলিত নিয়োগবিধি অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনেক পরে নিয়োগ হয়েছে, দাবি মঞ্চের
সেইসঙ্গে আরও শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘বাস্তবে দেখা যায়, রাজ্যে বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন, যাঁদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শিক্ষার অধিকার আইনের আগে প্রকাশিত হলেও নিয়োগ কার্যকর হয়েছে বহু বছর পরে। এটি প্রশাসনিক এবং আইনি জটিলতার ফল, যা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কারণে হয়নি। সুতরাং এই শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নন-টেট হিসেবে চিহ্নিত করা সম্পূর্ণরূপে অন্যায্য ও অসংগত।’
কী কী দাবি করা হল?
সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষানুরাগী মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘কেন্দ্রের কাছে তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোনও অবস্থায় শিক্ষার অধিকার আইনের পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নন-টেট শিক্ষক হিসেবে তালিকাভুক্ত বা নাম পাঠানো সমীচীন হবে না - এ বিষয়ে রাজ্যের সুস্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।’ সেইসঙ্গে ওই মঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, ‘অন্যথায়, দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকারা অকারণে মানসিক চাপ, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং চাকরির ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন, যা রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে চরমভাবে ক্ষতিকর।’
{{/usCountry}}সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষানুরাগী মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘কেন্দ্রের কাছে তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোনও অবস্থায় শিক্ষার অধিকার আইনের পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নন-টেট শিক্ষক হিসেবে তালিকাভুক্ত বা নাম পাঠানো সমীচীন হবে না - এ বিষয়ে রাজ্যের সুস্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।’ সেইসঙ্গে ওই মঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, ‘অন্যথায়, দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকারা অকারণে মানসিক চাপ, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং চাকরির ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন, যা রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে চরমভাবে ক্ষতিকর।’
{{/usCountry}}