Drinking Water Supply: দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) মুখে কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর। এবার পুজোর দিনগুলিতে কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation) এলাকায় সারারাত পানীয় জল পরিষেবা চালু রাখার নির্দেশ দিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। গভীর রাতে কিংবা ভোরবেলায় জল নিয়ে আর সমস্যায় পড়তে হবে না শহরবাসীকে। কলকাতার পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
সারারাত মিলবে পানীয় জল

এদিন কুঁদঘাটের একটি অনুষ্ঠান থেকেই দুর্গা পুজোয় সারারাত জল সরবরাহের কথা জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মন্ত্রী বলেন, পুজোর সময় তৃণমূল সরকার সরকার জল নিয়েও রাজনীতি করেছে। অন্য কোনও ধর্মের অনুষ্ঠানে সারারাত জল সরবরাহ করা হত। অথচ পুজোর সময় রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জল বন্ধ করে রাখা হত। এবার কিন্তু এমন ব্যবস্থা করতে হবে যাতে পুজোর সময়ও ১১টা থেকে ৬টা পর্যন্ত জল চালু থাকে। কারণ পুজোর সময় ভোরবেলা জল না পেলে অনেকেরই অসুবিধা হয়। অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, পুজোর দিনগুলিতে যাতে সারারাত পানীয় জল সরবরাহ চালু থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে কলকাতা পুরসভাকে। সকাল ৬টা পর্যন্ত যাতে পরিষেবা অব্যাহত থাকে, সেই বিষয়ে পুর কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
তাঁর কথায়, 'পুজোর সময় সকাল ১১টা থেকে ৬টা পর্যন্ত জল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। জল ছিল না। এবার কিন্তু স্মিতাজি আমাদের এই ব্যবস্থা করতে হবে যাতে সারারাত জল খোলা থাকে। সকাল ৬টা অবধিও যেন জল থাকে। কারণ পুজোর সময় অনেকে সকাল বেলায় পুজো দেওয়া, এগুলোতে খুবই অসুবিধা হয়। তাই আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর মার্গ দর্শনে যা যা অসুবিধা, আমরা কিন্তু দেখে নিচ্ছি।' পাশাপাশি, দুর্গাপুজোর সময়ও রাস্তাঘাট নোংরা না করার আর্জি জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, পুজো কমিটিগুলি চাইলে কলকাতা, বিধানগরের মতো পুরসভাগুলি থেকে ডাস্টবিন দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, পুজোর সময় কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তিন বার করে পুজো মণ্ডপ এবং আশপাশের জঞ্জাল সংগ্রহ করতে যাবে।
এছাড়াও পুরমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রবীণ নাগরিরক এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমরা যাতে মণ্ডপে গিয়ে প্রতিমা দর্শন করতে পারেন, তার জন্য মণ্ডপগুলিতে পুরসভার পক্ষ থেকে র্যাম্প তৈরি করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায় নগরোন্নয়ন দফতরের পক্ষ থেকে শেষ প্যাভিলিয়ন থাকছে যেখানে বিশেষ ভাবে সক্ষম এবং সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য।যেখানে জল ওষুধ সহায়ক থাকবে।
{{/usCountry}}এছাড়াও পুরমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রবীণ নাগরিরক এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমরা যাতে মণ্ডপে গিয়ে প্রতিমা দর্শন করতে পারেন, তার জন্য মণ্ডপগুলিতে পুরসভার পক্ষ থেকে র্যাম্প তৈরি করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায় নগরোন্নয়ন দফতরের পক্ষ থেকে শেষ প্যাভিলিয়ন থাকছে যেখানে বিশেষ ভাবে সক্ষম এবং সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য।যেখানে জল ওষুধ সহায়ক থাকবে।
{{/usCountry}}