...
...
Next Story

Durgapur Tourists Missing after Nepal Flash Flood: নেপাল বিপর্যয়ে নিখোঁজ দুর্গাপুরের একাধিক পর্যটক, উদ্বেগে পরিবার

নেপালের বিপর্যয়ের জেরে নিখোঁজ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক বাসিন্দাও। এই আবহে জানা গেল, দুর্গাপুর থেকে মানস সরোবর ভ্রমণে যাওয়া একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে তাঁদের পরিবারের। তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছেন।

Published on: Aug 27, 2026, 09:57:40 IST
Advertisement

নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর এখনও বহু মানুষের খোঁজ মিলছে না। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সেখানে নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ৪০০। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বহু ভারতীয় পর্যটক। নেপালের বিপর্যয়ের জেরে নিখোঁজ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক বাসিন্দাও। এই আবহে জানা গেল, দুর্গাপুর থেকে মানস সরোবর ভ্রমণে যাওয়া একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে তাঁদের পরিবারের। তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছেন।

দুর্গাপুর থেকে মানস সরোবর ভ্রমণে যাওয়া পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে তাঁদের পরিবারের। (REUTERS)
দুর্গাপুর থেকে মানস সরোবর ভ্রমণে যাওয়া পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে তাঁদের পরিবারের। (REUTERS)

জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের বামুনাড়ার তপবন সিটির বাসিন্দা মৌসুমী গঙ্গোপাধ্যায় (৫৩) ও তাঁর স্বামী অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় নেপালে গিয়েছিলেন মানস সরোবর ভ্রমণে। চলতি মাসের ২১ তারিখ একটি সংস্থার সঙ্গে তাঁরা যাত্রা শুরু করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভ্রমণ শেষ করে তাঁদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের খবর সামনে আসার পর থেকেই তাঁদের সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় প্রথমে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। পরে আত্মীয়স্বজন এবং প্রতিবেশীদের মধ্যেও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ জানেন না এই মুহূর্তে ওই দম্পতি ঠিক কোথায় রয়েছেন বা তাঁরা নিরাপদে আছেন কি না। পরিবারের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁদের দ্রুত নিরাপদে বাড়ি ফেরার জন্য প্রার্থনা করছেন।

তবে শুধু মৌসুমী ও অরিন্দমই নন, নেপাল বিপর্যয়ের পর দুর্গাপুরের আরও কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। অম্বুজা টাউনশিপের বাসিন্দা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় (৬২) এবং তাঁর স্ত্রী সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় (৫৯)-এরও কোনও খোঁজ মিলছে না। তাঁরাও নেপালেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের পরিবারও আতঙ্কে রয়েছেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তাঁরা কোনও নিশ্চিত খবর পাননি। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো এবং ফোনে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাঁর আশা, তাঁরা হয়তো কোথাও আটকে রয়েছেন এবং নিরাপদেই রয়েছেন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশ স্থানীয় এলাকায় এসেছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। যদিও পুলিশের কাছেও তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য নেই।

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান, ধস এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার কারণে দুর্গত এলাকাগুলিতে আটকে থাকা মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে উঠেছে। অনেক জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য যোগাযোগ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। ফলে পর্যটক এবং তাঁদের পরিবারের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে নিখোঁজ ভারতীয় এবং বাংলার পর্যটকদের দ্রুত সন্ধান পাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। প্রশাসনের তরফে উদ্ধার ও যোগাযোগের চেষ্টা জারি রয়েছে। দুর্গাপুরের নিখোঁজ বাসিন্দাদের পরিবারও আশা করছেন, খুব দ্রুত কোনও সুখবর তাঁদের কাছে পৌঁছবে এবং প্রিয়জনেরা সুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরবেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe