...
...
Next Story

ED raids: স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আড়ালে বেআইনি লেনদেন! অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জাল নথির সিন্ডিকেট, রাজ্যে হানা EDর

ED raids: ইডির দাবি, এই মানবপাচারকে ঘিরে বহু কোটি টাকার অবৈধ ব্যবসা চলছে যার শিকড় লুকিয়ে পশ্চিমবঙ্গেই। তারই হদিস পেতে এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় জোরদার তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। সাতসকালে এহেন তল্লাশি অভিযান ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

Published on: Jul 16, 2026 02:32 PM IST
Advertisement

ED raids: রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ‘সিন্ডিকেট’-এর কোটি কোটি টাকার অর্থভান্ডার এবং জাল নথি তৈরির চক্রের পান্ডাদের খোঁজে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১৩ জায়গায় একযোগে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জাল নথির সিন্ডিকেট, রাজ্যে হানা EDর (Image: HT)
অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জাল নথির সিন্ডিকেট, রাজ্যে হানা EDর (Image: HT)

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাজ্যের কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। একই সঙ্গে দিল্লি, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গাতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, গোয়েন্দাদের নিশানায় রাজ্যের ‘জাল নথি হাব।’ অভিযোগ, অবৈধ পথে সীমান্ত পেরিয়ে রাজ্যে ঢোকা রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের বেআইনি নথি বানিয়ে দিয়ে ভারতে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি নেটওয়ার্ক ক্রমেই সক্রিয় হচ্ছিল। তারা মোটা টাকার বিনিময়ে অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড, এপিক, প্যান কার্ড থেকে শুরু করে ই শ্রম কার্ডের মতো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দেয়। সেই নথি দেখিয়েই পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষত, কর্ণাটক, তামিলনাডু, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশে দালালদের হাত ধরে পৌঁছে যান অনুপ্রবেশকারীরা।

সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স মানবপাচার নিয়ে তদন্ত শুরু করে। বেশ কয়েক মাস আগে উত্তরপ্রদেশ এটিএস একটি মামলা রুজু করেছিল। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই খাস কলকাতায় এই চক্রের এক পান্ডার সন্ধান পায়। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তদন্তেই উঠে আসে, কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদে অনুপ্রবেশকারীদের জাল নথি তৈরির বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আদালতে জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে শ্রমিক সরবরাহের আড়লে দালালেরা অনুপ্রবেশকারীদের জাল নথি দিয়ে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেয়। এরপরই ইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে রাজ্যের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম। তদন্তকারীদের ইঙ্গিত, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আড়ালে মানবপাচার চক্রের নথি তৈরি থেকে শুরু করে বিপুল টাকার আর্থিক লেনদেনের হদিস মিলেছে। অনেক ক্ষেত্রেই মূল চক্রকে আড়াল করতে ‘ভাড়ার অ্যাকাউন্ট’ ব্যবহার করা হয়েছে। ছোট ছোট অঙ্কের লেনদেন কিন্তু তা করা হয়েছে বহু অ্যাকাউন্ট থেকে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe