...
...
Next Story

ED Summon TMC Leader: ভোটের পর শৌচালয়ে পড়ে গিয়ে চোট পেলেন প্রাক্তন মন্ত্রী, হাজির হলেন না ইডির দফতরে

নির্বাচনের পরপরই প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ এবং সুজিত বসুকে তলব করেছিল ইডি। তবে ২ জনের কেউই যাননি হাজিরা দিতে। এই নিয়ে রথীন দাবি করেন, তিনি নাকি শৌচালয়ে পড়ে গিয়ে চোট পেয়েছেন এবং চিকিৎসক তাঁকে অন্তত ১০ দিন বিছানায় বিশ্রাম করতে বলেছেন। সুজিত বলেন, তিনি রাজনৈতিক কাজে ব্যস্ত।

Published on: May 6, 2026, 14:15:06 IST
Advertisement

নির্বাচনের পরপরই প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষকে তলব করেছিল ইডি। আজ তাঁর হাজির হওয়ার কথা ছিল জেরার জন্য। তবে তিনি হাজিরা দিলেন না। তৃণমূল নেতা দাবি করলেন, তিনি নাকি শৌচালয়ে পড়ে গিয়ে চোট পেয়েছেন এবং চিকিৎসক তাঁকে অন্তত ১০ দিন বিছানায় বিশ্রাম করতে বলেছেন। এদিকে আজ প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকেও তলব করেছিল ইডি। তবে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক কাজে ব্যস্থ থাকায় তিনি আজ হাজির হতে পারবেন না। এর আগে ভোটের কাজে ব্যস্ত বলে তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষ ইডির কাছে সময় চেয়েছিলেন। এবার ভোট মিটতেই তাঁদের তলব করা হয়। তবে ফের হাজিরা এড়ালেন তাঁরা।

নির্বাচনের পরপরই প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ এবং সুজিত বসুকে তলব করেছিল ইডি। (HT_PRINT)
নির্বাচনের পরপরই প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ এবং সুজিত বসুকে তলব করেছিল ইডি। (HT_PRINT)

এর আগে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিদায়ী দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর প্রাক্তন জামাইকেও জেরা করেছিল ইডি। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি তিনি ইডি দফতরে জমা দিয়েছিলেন। এদিকে সল্টলেক সেক্টর ওয়ানের যে ভবনে সুজিত বসুর দফতর ছিল, সেখানেও কয়েক মাস আগে তল্লাশি চালিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এছাড়া সুজিতের পরিবারের মালিকানাধীন একটি রেস্তরাঁ এবং গোলাহাটায় তাঁদের একটি ধাবাতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। এসব জায়গা থেকে ইডি বেশ কিছু নথিও উদ্ধার করেছিল। এছাড়া সুজিত বসুর স্ত্রী, কন্যা এবং পুত্রকেও ইডি নোটিশ পাঠিয়েছিল হাজিরার জন্য।

ইডি বলেছিল, পুরনিয়োগ দুর্নীতির টাকার একটা অংশ বিভিন্ন হোটেল, রেস্তরাঁসহ কিছু ব্যক্তিগত ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। উল্লেখ্য, পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের সূত্রপাত হয়েছিল স্কুল সার্ভিস দুর্নীতি তদন্তের সময়। ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে সিবিআই গ্রেফতার করার পর তাঁর সল্টলেক অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছিল একগুচ্ছ ওএমআর শিট। সেই নথি থেকেই সামনে আসে পুরসভার নিয়োগেও জালিয়াতির বিষয়টি। অয়নের সংস্থা পুরনিয়োগে ওএমআর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল। সেই সূত্র ধরে একে একে বহু দফতর ও ব্যক্তির উপর নজর রেখে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। আর এই মামলায় আর্থিক অনিয়মের দিকটি সামনে আসতেই তদন্তে নামে ইডিও।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe