...
...
Next Story

Egg Throwing Incident: CMর বার্তা সত্ত্বেও অব্যাহত থেরাপি! হুগলির পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধান-উপপ্রধানের উপর ডিম হামলা

Egg Throwing Incident: সিঙ্গুর বিধানসভার বৈঁচিপোতায় তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন মায়াবতী কর্মকার। অন্যদিকে, উপপ্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন নবকুমার বাগ। সরকারি প্রকল্প থেকে কাটমানি নেওয়া এবং পঞ্চায়েতে কাজের হিসাবের গরমিলের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

Published on: Jul 28, 2026, 21:32:39 IST
Advertisement

Egg Throwing Incident: বর্তমানে প্রতিবাদের নতুন ট্রেন্ড শুরু হয়েছে রাজ্যে। সেটা হল 'ডিম থেরাপি।' বেচাল দেখলেই ডিম হাতে তৈরি হয়ে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে বিজেপি সমর্থকরা। কেউ কেউ এটাকে আবার জনরোষ বলেও মনে করছেন। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের উপর চলছে 'ডিম থেরাপি।' কিন্তু এই 'ডিম থেরাপি' তাঁর একেবারে না পসন্দ বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তা সত্ত্বেও হুগলির বৈঁচিপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মায়াবতী কর্মকারের উপর ডিম ছোড়ার অভিযোগ উঠল একদল জনতার বিরুদ্ধে। ডিম হামলা থেকে রক্ষা পেলেন না পঞ্চায়েতের উপপ্রধানও। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু'জনকে জনতার রোষ থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ নিয়ে এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।

হুগলির পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধান-উপপ্রধানের উপর ডিম হামলা
হুগলির পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধান-উপপ্রধানের উপর ডিম হামলা

মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘিরে হৈচৈ পড়ে গিয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। জানা গেছে, সিঙ্গুর বিধানসভার বৈঁচিপোতায় তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন মায়াবতী কর্মকার। অন্যদিকে, উপপ্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন নবকুমার বাগ। সরকারি প্রকল্প থেকে কাটমানি নেওয়া এবং পঞ্চায়েতে কাজের হিসাবের গরমিলের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। সেই রোষে মঙ্গলবার পঞ্চায়েত অফিসের সামনে মহিলা প্রধান ও উপপ্রধানকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে ক্ষুব্ধ জনতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মায়াবতীকে বসিয়ে রীতিমতো তাঁর মাথায় ডিম ছোড়া হয়। শুধু তাই নয়, উত্তেজিত মহিলারা তাঁকে মাটিতে ফেলে জুতোপেটা করে গলায় জুতোর মালা পরিয়ে দেন বলেও অভিযোগ। একা মায়াবতী নন, একই রকম ডিম হামলার শিকার হতে হয় উপপ্রধান নবকুমার বাগকেও।

অন্যদিকে, জনরোষের খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিঙ্গুর থানার পুলিশ। আক্রান্ত মহিলা প্রধান ও উপপ্রধানকে ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে সিঙ্গুর থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির পক্ষ থেকে পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে এভাবে সর্বত্র ডিম হামলা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর আগে জনরোষের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূলের একাধিক নেতাকে। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে বিধায়ক কুণাল ঘোষ ও মদন মিত্রের মত প্রথম সারির নেতার উপরও ডিম নিক্ষেপের নজির রয়েছে। এই পরিস্থিতি তৈরি হল কেন? গত ১৫ বছর যাঁদের ইশারা ছাড়া গাছের একটি পাতাও নড়ত না, তাদেঁর প্রতি মানুষ এত ক্ষিপ্ত কেন? তা বোধহয় ভেবে দেখার সময় এসেছে। বলছে বুদ্ধিজীবী মহল। তবে গত সপ্তাহে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘ডিম ছোড়া বাংলার সংস্কৃতি নয়। আমি এগুলো সমর্থন করি না।' রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও বারবার এ ধরনের হামলার নিন্দা করেছেন। তা সত্ত্বেও ডিম-থেরাপি অব্যাহতই রয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe