Eggs Thrown at Meenakshi's Car: বঙ্গ রাজনীতিতে ডিম ছোড়ার ঘটনা যেন নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। এতদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-মন্ত্রীদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ উঠলেও, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। কোচবিহারের শীতলকুচিতে নিহত মন্টু মিঞার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার সকালে শীতলকুচিতে নিহত মন্টু মিঞার বাড়িতে যান মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমবেদনা জানান। এরপর সেখান থেকে ফেরার সময় শীতলকুচি বাজারের ভিতর দিয়ে তাঁর কনভয় যাওয়ার সময় আচমকাই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ, সেই সময় একাধিক ব্যক্তি তাঁর গাড়ির দিকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে শুরু করেন। পরপর ডিম এসে গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে আছড়ে পড়ে। ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এলাকায় এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছিলেন। এক বিক্ষোভকারীর বক্তব্য, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় এসে তিনি রাজনৈতিকভাবে মানুষকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সেই কারণেই স্থানীয়দের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। যদিও এই ঘটনার পর মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনা একাধিকবার সামনে এসেছে। এই প্রবণতা নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত রাজ্য সরকারের কাছে হলফনামা তলব করে জানতে চেয়েছে, কেন বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটছে এবং তা রোধে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এ ধরনের ঘটনা জনপ্রতিনিধিদের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনা একাধিকবার সামনে এসেছে। এই প্রবণতা নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত রাজ্য সরকারের কাছে হলফনামা তলব করে জানতে চেয়েছে, কেন বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটছে এবং তা রোধে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এ ধরনের ঘটনা জনপ্রতিনিধিদের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
{{/usCountry}}এই আবহেই শীতলকুচিতে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের কনভয়ে ডিম ছোড়ার অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক মতপ্রকাশের বদলে ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিক্ষোভকারীদের দাবি, এটি ছিল তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ। ফলে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।