কলকাতায় লিওনেল মেসিকে ঘিরে উৎসব বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে। গোটা বিশ্বের সামনে মাথানত হয়ে গিয়েছে বাংলার। সেই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর যেমন চলছে, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপও চলছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস। তাঁর উদ্যোগেই লেক টাউনে, শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের সামনে মেসির মূর্তি বসেছে। সেই নিয়ে কটাক্ষেরও জবাব দিলেন দমকল মন্ত্রী।

কিংবদন্তি লিওনেল মেসির কলকাতা সফরের পর আট দিন অতিক্রান্ত। তাঁর কলকাতা সফরের দ্বিতীয় অধ্যায় ছিল যুবভারতীকাণ্ড। তার আগে বাইপাসের ধারে হায়াত রিজেন্সি হোটেলে ছিল ফুটবল তারকার কলকাতা সফরের প্রথম অধ্যায়। মন্ত্রী সুজিত বসুকে যুবভারতীতে দেখা না গেলেও, হোটেলের ‘দখল’ ছিল তাঁরই হাতে। সেখান থেকেই নিজের ক্লাব শ্রীভূমির সামনে মেসির ৭০ ফুটের মূর্তি উন্মোচন করান তিনি। বস্তুত, মেসির সফরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই এই মূর্তিটি তৈরি করানো হয়েছিল। তবে আর্জেন্টিনীয় ফুটবল তারকার ওই মূর্তির মুখের গড়ন ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা হয় বিস্তর। এই আবহে মূর্তি ঘিরে সমালোচনা নিয়ে রবিবার প্রশ্ন করা হয় দমকলমন্ত্রীকে। জবাবে তিনি বলেন, 'স্ট্যাচুটা ওঁর (মেসির) ভাল লেগেছে। উনি প্রশংসা করেছেন। (স্ট্যাচু নিয়ে) প্রশ্ন কেউ করেননি। দুই-একজন নিন্দুকে সব সময়েই (প্রশ্ন) করেন। কিন্তু মেসি নিজে ওটার প্রশংসা করে এক-দুই নম্বরে ওই ছবিটা রেখেছেন।'
মেসির কলকাতা সফরের হায়াত রিজেন্সি অধ্যায়ে যেমন সুজিত বসু ছিলেন, তেমনই যুবভারতী অধ্যায় জুড়ে ছিলেন রাজ্যের অপর মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। যুবভারতীকাণ্ড ঘিরে বিতর্কের আবহে ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়েছেন তিনি। যদিও অন্য দফতরের দায়িত্ব থাকায় রাজ্যের মন্ত্রিসভায় তিনি এখনও রয়েছেন। যুবভারতীতে তাঁকে দেখা না গেলেও ওই দিনের তাণ্ডব নিয়ে রবিবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সুজিত বসুকে। এ বিষয়ে দমকলমন্ত্রী বলেন, 'এ বিষয়ে আমি এখনই কিছু বলব না। কারণ সরকার একটি অনুসন্ধান কমিটি করেছে। অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্ট বার হোক। কোথায় ভুল, কোথায় ঠিক হয়েছে-তা অনুসন্ধানের রিপোর্ট বলবে।' তিনি আরও বলেন, 'এই বাংলায় অনেক বড় বড় জিনিস হয়েছে, হবে। আমাদের সরকারের আমলেও অনেক বড় বড় ইভেন্ট হয়েছে। মেসির সফরে স্টেডিয়ামে যে প্রবলেম হয়েছে, সেটা নিয়ে তো দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী কমিটি করে দিয়েছেন। ওই নিয়ে কিছু বলব না।'
{{/usCountry}}মেসির কলকাতা সফরের হায়াত রিজেন্সি অধ্যায়ে যেমন সুজিত বসু ছিলেন, তেমনই যুবভারতী অধ্যায় জুড়ে ছিলেন রাজ্যের অপর মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। যুবভারতীকাণ্ড ঘিরে বিতর্কের আবহে ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়েছেন তিনি। যদিও অন্য দফতরের দায়িত্ব থাকায় রাজ্যের মন্ত্রিসভায় তিনি এখনও রয়েছেন। যুবভারতীতে তাঁকে দেখা না গেলেও ওই দিনের তাণ্ডব নিয়ে রবিবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সুজিত বসুকে। এ বিষয়ে দমকলমন্ত্রী বলেন, 'এ বিষয়ে আমি এখনই কিছু বলব না। কারণ সরকার একটি অনুসন্ধান কমিটি করেছে। অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্ট বার হোক। কোথায় ভুল, কোথায় ঠিক হয়েছে-তা অনুসন্ধানের রিপোর্ট বলবে।' তিনি আরও বলেন, 'এই বাংলায় অনেক বড় বড় জিনিস হয়েছে, হবে। আমাদের সরকারের আমলেও অনেক বড় বড় ইভেন্ট হয়েছে। মেসির সফরে স্টেডিয়ামে যে প্রবলেম হয়েছে, সেটা নিয়ে তো দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী কমিটি করে দিয়েছেন। ওই নিয়ে কিছু বলব না।'
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, মেসি ভারত সফর শেষে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও শেয়ার করেছেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে। ওই ভিডিওয় একেবারে শুরুতেই রয়েছে শ্রীভূমির সামনে ওই ৭০ ফুটের মূর্তির দৃশ্য। আর্জেন্টিনীয় ফুটবল তারকা এক-দুই নম্বরে ছবিটি রেখেছেন বলে সুজিত বসু ওই ভিডিওর কথাই বলতে চেয়েছেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।