শোনা যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাসফুল প্রতীক নিজের হাতে এঁকেছিলেন মমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘাসফুল প্রতীক এবার মমতার হাত ছাড়া। এই প্রতীক পেলনা ঋতব্রত শিবিরের তৃণমূলও। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের প্রতীক ও নাম ফ্রিজ করল কমিশন। সামনেই উপনির্বাচন। তার আগে কমিশনের এই পদক্ষেপ। ফলত, আপাতত আসন্ন রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে তৃণমূলের চেনা ঘাসফুল প্রতীক থাকছে না।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই। তবে কালীঘাট শিবিরের তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরের তৃণমূল, দুই পক্ষই কোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে লড়তে চায়, তা জানতে চেয়েছে কমিশন। শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে তা জানাতে হবে কমিশনকে।
শোনা যায় ২৮ বছর আগে, এই ঘাসফুল প্রতীক এঁকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রতীক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টানটান স্নায়ুর লড়াই চলছিল, ঋতব্রত বনাম কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের মধ্যে। বৃহস্পতিবার সেই টানটান স্নায়ুযুদ্ধের যবনিকা পতন করল নির্বাচন কমিশন। আপাতত দলের প্রতীক আর নাম ফ্রিজ করল কমিশন।দল কার, দলের তহবিল কার হাতে থাকা উচিত, এই সমস্ত প্রশ্ন উঠে এসেছে এই প্রতীক ও নাম যুদ্ধের হাত ধরে। আপাতত অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।আপাতত অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
আগামী ৬ অক্টোবর রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। ভোটযুদ্ধের ময়দানে সব পক্ষ নিজের প্রার্থী দিয়েছে। তবে তৃণমূল এখনও জানেনা তারা কোন প্রতীকে লড়বে বা কোন নামে লড়বে! কমিশন বলেছে, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও আপাতত তারা ব্যবহার করতে পারবে না দুই পক্ষের শিবির। দুই শিবিরকে নিজেদের জন্য আলাদা নাম বেছে নিতে হবে। চাইলে সেই নামের সঙ্গে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর সম্পর্কের উল্লেখ রাখা যাবে। উপনির্বাচনের জন্য দুই পক্ষকে কমিশনের সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে আলাদা আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। যদিও কমিশন জানিয়েছে, তৃণমূলের প্রতীক বা দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।
(বিস্তারিত আসছে)
{{/usCountry}}(বিস্তারিত আসছে)
{{/usCountry}}