...
...
Next Story

Malda Violence: মালদা-কাণ্ডের তদন্তভার পেল NIA, সুপ্রিম কোর্টের পরে কমিশনের কাছেও ভর্ৎসিত পুলিশ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য-রাজনীতি। মালদার কালিয়াচকে ভোটার তালিকা সংশোধনের (এসআইআর) কাজে নিযুক্ত সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও এবং হেনস্থা করার ঘটনায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন।

Published on: Apr 2, 2026, 23:44:55 IST
Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য-রাজনীতি। মালদার কালিয়াচকে ভোটার তালিকা সংশোধনের (এসআইআর) কাজে নিযুক্ত সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও এবং হেনস্থা করার ঘটনায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের কড়া মনোভাবের পরে এই গোটা ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএয়ের হাতে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো রিপোর্ট দিতে হবে। সেইসঙ্গে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদেরও ভর্ৎসনা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

ঘটনার সূত্রপাত ও বিচারকদের ঘেরাও

উত্তপ্ত মালদা। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
উত্তপ্ত মালদা। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)

বৈধ নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি বলে দাবি করে উত্তাল হয়ে ওঠে মালদা। অভিযোগ উঠেছে, সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখা হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, ভোটার তালিকা থেকে বৈধ নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। এই ঘটনায় রাজ্যের প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন ওঠে।

আরও পড়ুন: HS Semester Exam Future: উচ্চমাধ্যমিকের সেমেস্টার প্রথা বাতিল হয়ে যাচ্ছে?

সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনা ও এনআইএ তদন্ত

বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ালে বিচারপতিরা ক্ষোভপ্রকাশ করেন। সেই ঘটনার তদন্তের জন্য সিবিআই বা এনআইএয়ের মতো সংস্থার হাতে দায়িত্বভার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং জেলাশাসককে শোকজ করা হয়। এরপরই নির্বাচন কমিশন বুধবারের ওই ঘটনার তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ভোটমুখী রাজ্যে কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এমন এন্ট্রি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এই ঘটনায় সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর দায় চাপিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়িয়ে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পথ প্রশস্ত করা হচ্ছে। মমতা বলেন, "ভোটের মুখে রাজ্যকে অস্থির করার চক্রান্ত চলছে।" অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছে যে, তৃণমূল আসলে 'ভুয়ো ভোটারদের' রক্ষা করতে এই বিক্ষোভের নাটক সাজিয়েছিল।

আরও পড়ুন: UPSC Success Story: বয়স ২২, মোটে ১ বছরের প্রস্তুতি, কীভাবে ‘কঠিনতম’ পরীক্ষা পাশ করে IAS হলেন অনন্যা?

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe