TMC symbol: ‘জোড়াফুল’ প্রতীক কার— সেই প্রশ্নের নিষ্পত্তিতে তৃণমূলের দুই পক্ষকে শুক্রবার শুনানির জন্য তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে আপাতত সেই প্রক্রিয়া স্থগিত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কবে ফের দু’পক্ষকে শুনানির জন্য ডাকা হবে, এখন সেই অপেক্ষাতেই রয়েছে মমতা তৃণমূল এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূল। আপাতত শুনানি হচ্ছে না বলে কমিশন দুই পক্ষকেই জানিয়েছে।

হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা ভোটের আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে বিতর্কের নিষ্পত্তি হবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু দেশের শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপে সেই প্রক্রিয়া আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কমিশনে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার জন্য মমতা তৃণমূলকে ২০ দিন এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূলকে ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। ফলে শুক্রবার দুই পক্ষকে মুখোমুখি বসিয়ে শুনানির যে সিদ্ধান্ত কমিশন নিয়েছিল, তা আপাতত হচ্ছে না। এই প্রসঙ্গে মমতা তৃণমূলের আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘এখন শুনানি হচ্ছে না। সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পর ফের দিনক্ষণ জানাবে কমিশন।’
অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের বিধায়কদের একটি দল দিল্লি যাচ্ছে বলে সূত্রের খবর। নথি জমা দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে— এই অভিযোগে তাঁরা কমিশনের কাছে নালিশ জানাতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে হাওড়া এবং কলকাতা পুরসভার ভোটের আগে তৃণমূলের প্রতীক বিতর্কের নিষ্পত্তি হওয়া কঠিন বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া এবং পরবর্তী শুনানির প্রক্রিয়া এখনও বাকি রয়েছে। ফলে পুরভোটের আগে যদি জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হয়, তা হলে দুই শিবিরকেই কমিশনের দেওয়া অস্থায়ী প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়তে হতে পারে। সেক্ষেত্রে মমতা তৃণমূল ‘ফুটবলার’ এবং ঋতব্রত তৃণমূল ‘খাম’ চিহ্নে পুরভোটে লড়তে পারে বলে কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আপাতত কমিশন কবে ফের দুই পক্ষকে শুনানির জন্য ডাকবে, সেই দিকেই নজর রয়েছে উভয় শিবিরের।