এসআইআর পর্বে পুরস্কৃত করা হয়েছিল খণ্ডঘোষ ব্লকের যুগ্ম বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকে। তবে নির্বাচনের কয়েকদিন আগে সেই জ্যোৎস্নাকেই এবার সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের যুগ্ম বিডিও জ্যোৎস্না খাতুন এসআইআর প্রক্রিয়ায় এইআরও হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছিলেন। সেই সময় তাঁর কাজের জন্য নির্বাচন কমিশন তাঁকে পুরস্কৃত করেছিল। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে রাজ্যের একাধিক বিডিও ও যুগ্ম বিডিওকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকায় নাম রয়েছে জ্যোৎস্না খাতুনেরও।

এদিকে জ্যোৎস্নাকে এখন কেন সাসপেন্ড করা হল? তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন অবশ্য আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও জবাব দেয়নি। তবে একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার করার অভিযোগ উঠেছে জ্যোৎস্নার বিরুদ্ধে। এদিকে সাসপেন্ড হওয়া জ্যোৎস্নাও এই নিয়ে এখনও সংবাদমাধ্যমকে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ভোট নির্ঘণ্টের পরপরই একাধিক পুলিশ আধিকারিক এবং আমলাকে বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। এই আবহে কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিল তৃণমূল। তবে সেই মামলা খারিজ হয়ে গিয়েছিল। উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ মধ্যরাত থেকেই পুলিশ প্রশাসনে রদবদল শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। প্রথমে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিব পদে রদবলদ করা হয় রবিবার রাতেই। পরে রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে রদবদল করে কমিশন। পীযুষ পাণ্ডের জায়গায় নতুন ডিজি করা হয় সিদ্ধিনাথ গুপ্তকে। এবং সুপ্রতিম সরকারের বদলে কলকাতা পুলিশের নয়া কমিশনার হন অজয় নন্দ।
এরপর কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে। এরই সঙ্গে রাজ্যের ১২ জায়গায় পুলিশ সুপারকেও পাল্টে দেয় নির্বাচন কমিশন। বীরভূম, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, মালদার পুলিশ সুপাররা এই তালিকায় রয়েছেন। এরপর ১৮ মার্চ নয়া নির্দেশিকা জারি করে পাঁচ ডিআইজি, দুই পুলিশ কমিশনার এবং একঝাঁক জেলাশাসককে সরিয়ে দেওয়া হয়। রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, জলপাইগুড়ি এবং প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজিদের সরিয়ে দেওয়া হয়। ১১ জেলার জেলাশাসকদের সরানো হয়। বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। সম্প্রতি আবার রাজ্যে ১৫০-র ওপর থানার ওসি বদল করে কমিশন।
{{/usCountry}}এরপর কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে। এরই সঙ্গে রাজ্যের ১২ জায়গায় পুলিশ সুপারকেও পাল্টে দেয় নির্বাচন কমিশন। বীরভূম, ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, মালদার পুলিশ সুপাররা এই তালিকায় রয়েছেন। এরপর ১৮ মার্চ নয়া নির্দেশিকা জারি করে পাঁচ ডিআইজি, দুই পুলিশ কমিশনার এবং একঝাঁক জেলাশাসককে সরিয়ে দেওয়া হয়। রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, জলপাইগুড়ি এবং প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজিদের সরিয়ে দেওয়া হয়। ১১ জেলার জেলাশাসকদের সরানো হয়। বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। সম্প্রতি আবার রাজ্যে ১৫০-র ওপর থানার ওসি বদল করে কমিশন।
{{/usCountry}}