Elephant in Vote Center: ঝাড়গ্রামে ভোটকেন্দ্রে আগমন গজরাজের। জানা গিয়েছে, আজ সকালে ঝাড়গ্রামের জিতুশোল প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে সামনে চলে আসে রামলাল নামক দাঁতাল। এই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন লোধাশুলি রেঞ্জের বনকর্মীরা। তারপর বনকর্মীদের তৎপরতায় রামলালকে ভোটকেন্দ্র থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ভোটকেন্দ্রের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পরে নির্বিঘ্নেই ভোটগ্রহণ শুরু হয় জিতুশোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। (আরও পড়ুন: ডোমকলে তৃণমূল-বাম সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের কোপ, জখম ৪, সিপিএম প্রার্থীর মুখে 'প্রতিরোধ' বার্তা)

জানা গিয়ছে, রামলাল নামক হাতিটি এমনিতে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ঘোরে খাবারের সন্ধানে। অনেকেই ভালোবেসে খাবারও দেয় তাকে। এই আবহে আজ সকালেও হয়ত খাবারের সন্ধানেই ভোটকেন্দ্রের সামনে চলে এসেছিল সে। সেখানে থাকা একটি গাড়িতে শুঁড়ও গলায় সে। এদিকে ভোটেকেন্দ্রের বাইরে রামলালকে দেখতে তার পেছনে হাঁটতে থাকে অনেকে। এরপরে ৫ নম্বর রাজ্য সড়কে উঠে বেশ কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করে সে। সেখানে পৌঁছায় বনদফতরের কর্মীরা। (আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে বোমাবাজি, বিধায়ককে 'নিশানা', আঙুল AJUP-র দিকে, '…রসগোল্লা ছুড়বে নাকি?' পাল্টা হুমায়ুনের)
এদিকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত রামলালকে বিশেষভাবে নজরবন্দি করে রাখছ বনদফতর। রামলাল নামক এই একটি হাতির গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের জন্যে ‘ঐরাবত’ গাড়ি-সহ ১৫ জনের দল গঠন করা হয়েছে। রামলালকে ঠেকাতে শালবনিতে মোতায়েন করা হয়েছে বনদফতরের আরও একটি দলকে। উল্লেখ্য, লোকালয়ে তাণ্ডব না চালালেও সপ্তাহ দুই আগে নাকি জঙ্গলে শ্যামলাল নামক এক হাতির সঙ্গে এলাকা দখলের লড়াই হয়েছিল রামলালের। সেই লড়াইয়ে ডান পায়ে চোট পেয়েছিল রামলাল।
রিপোর্ট অনুযায়ী, জঙ্গলমহলে যাতে হাতির দাপটে নির্বাচন যাতে বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করেছে বনদফতর। হাতি নিয়ন্ত্রণে ঝাড়গ্রাম বন বিভাগে ৩০০ জন আধিকারিক রয়েছেন। ঝাড়গ্রামের বনকর্মীরা হাতির আনাগোনার ওপর নজরজারি চালাচ্ছেন। এছাড়া ঝাড়গ্রাম জেলায় গঠন করা হয়েছে এলিফ্যান্ট ট্রেকার্স টিম। এছাড়া আছে কুইক রেসপন্স টিম। এদিকে ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন আধিকারিকদের বনদফতরের ফোন নম্বর দেওয়া আছে।
{{/usCountry}}রিপোর্ট অনুযায়ী, জঙ্গলমহলে যাতে হাতির দাপটে নির্বাচন যাতে বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করেছে বনদফতর। হাতি নিয়ন্ত্রণে ঝাড়গ্রাম বন বিভাগে ৩০০ জন আধিকারিক রয়েছেন। ঝাড়গ্রামের বনকর্মীরা হাতির আনাগোনার ওপর নজরজারি চালাচ্ছেন। এছাড়া ঝাড়গ্রাম জেলায় গঠন করা হয়েছে এলিফ্যান্ট ট্রেকার্স টিম। এছাড়া আছে কুইক রেসপন্স টিম। এদিকে ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন আধিকারিকদের বনদফতরের ফোন নম্বর দেওয়া আছে।
{{/usCountry}}