Suvendu on Baruipur Rape Case: পুলিশের '১% শিথিলতা থাকলেও কঠোর ব্যবস্থা নেব', বারুইপুর-কাণ্ডে হুংকার শুভেন্দুর
Suvendu on Baruipur Rape Case: আমাদের লোকেদের যদি এক শতাংশও শিথিলতা থাকে, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সন্তুষ্ট তিনি। এক সপ্তাহ পরে আবারও আসবেন।
Suvendu on Baruipur Rape Case: বারুইপুর-কাণ্ডে পুলিশের যদি এক শতাংশও শিথিলতা থাকে, তাহলেও খুব কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার নির্যাতিতা নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পরে বারুইপুর পুলিশ সুপারের অফিসের বাইরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, চার অভিযুক্তের মধ্যে তিনজনকে ইতিমধ্যে ধরা হয়েছে। অপরজনকেও ধরা হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে কড়া ভাষায় তিনি বলেছেন, ‘আমি ডিজিপিকে ৭২ ঘণ্টা দিয়েছি। আমি যা যা তথ্য় চেয়েছি, সেটার ভিত্তিতে প্রশাসনিক নিয়মকানুন মেনে উনি আমায় একটা রিপোর্ট দেবেন। রিপোর্ট দেওয়ার পরে প্রশাসনিক দিক থেকে আমাদের যে অ্যাকশন নেওয়ার, (সেটা আমরা নেব)। ওই সময়ের মধ্যে আমাদের লোকের যদি কোনও শিথিলতা থাকে, সেটা যদি এক পার্সেন্টও হয়, তাহলেও খুব কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রাথমিকভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে চরম ঢিলেমির অভিযোগ উঠেছে
আর মুখ্যমন্ত্রী এমন একটা পরিস্থিতিতে সেই মন্তব্য করেছেন, যখন বারুইপুর-কাণ্ডের তদন্তে প্রাথমিকভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে ঢিলেঢালা মনোভাবের অভিযোগ উঠেছে। আর তার জেরেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছিল বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। অভিযোগ উঠেছে যে প্রাথমিকভাবে নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পরে অভিযোগ নিতে টালবাহানা করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে অভিযোগ নিলেও পুলিশ কার্যত কোনওরকম তৎপরতা দেখায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে স্থানীয় এক যুব নেতাই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেন। চিহ্নিত করা হয় কয়েকজনকে। মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও পুলিশ ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে। সেইসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন, গণপিটুনিতে যখন একজনকে হত্যা করা হয়েছে, তখনও এলাকায় পুলিশ ছিল না। পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আবার ১ সপ্তাহ পরে আসব, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী
সেই রেশ ধরে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু জানিয়েছেন, নির্যাতিতার পরিবার তাঁর সরকারের প্রতি আস্থা রেখেছে। তাতে তিনি সন্তুষ্ট। পরিবারের তরফে তাঁকে কিছু কথা বলা হয়েছে। সূর্যপুরে একটি পুলিশ আউটপোস্ট তৈরির আর্জি জানিয়েছে পরিবার। প্রয়োজনে বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেই কাজটা করা হবে। এক সপ্তাহ পরে তিনি যখন আসবেন এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন, তখন আউটপোস্টের উদ্বোধন করা হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


