...
...
Next Story

Ex DCP Shantanu: প্রেসিডেন্সি জেলে সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে একদা প্রভাবশালী ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে

সংশোধনাগার সূত্রে খবর, তাঁর জন্য আলাদা কোনও বিশেষ বন্দোবস্ত করা হয়নি। জেলের অন্যান্য বন্দিদের মতোই সমস্ত নিয়ম মেনেই দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে। ফলে একসময় পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা এই প্রাক্তন আধিকারিক এখন সংশোধনাগারের নির্দিষ্ট রুটিনের মধ্যেই রয়েছেন।

Published on: May 29, 2026 10:51 AM IST
Advertisement

আদালতের নির্দেশে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে কালীঘাটের প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে। রিপোর্টে জানানো হল, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে সাধারণ বন্দিদের সঙ্গেই থাকতে হচ্ছে শান্তনুকে। সংশোধনাগার সূত্রে খবর, তাঁর জন্য আলাদা কোনও বিশেষ বন্দোবস্ত করা হয়নি। জেলের অন্যান্য বন্দিদের মতোই সমস্ত নিয়ম মেনেই দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে। ফলে একসময় পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা এই প্রাক্তন আধিকারিক এখন সংশোধনাগারের নির্দিষ্ট রুটিনের মধ্যেই রয়েছেন।

আদালতের নির্দেশে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে কালীঘাটের প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে।
আদালতের নির্দেশে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে কালীঘাটের প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছনোর পর প্রথমে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। এরপর নিয়ম মেনেই তাঁর নথিপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর তাঁকে নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে পাঠানো হয়, যেখানে অন্য সাধারণ বন্দিরাও রয়েছেন। সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলের ভিতরে তাঁর জন্য আলাদা কোনও সুবিধা বা বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

সূত্রের খবর, শুরুতে কিছুটা মানসিক চাপে ছিলেন শান্তনু। দীর্ঘদিন পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে জেলের পরিবেশ তাঁর কাছে সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। তবে ধীরে ধীরে তিনি পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে জেল কর্তৃপক্ষ তাঁর উপর বিশেষ নজরও রাখছে। জেলের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী, অন্য বন্দিদের মতো তাঁকেও নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেতে হচ্ছে এবং একই নিয়ম মেনে চলতে হচ্ছে।

সংশোধনাগার সূত্রে দাবি, কোনও বন্দিকেই অযথা বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় না। এই ক্ষেত্রেও সেই নিয়মই কার্যকর করা হয়েছে। বর্তমানে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের নির্দিষ্ট ওয়ার্ডেই দিন কাটছে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের। আদালতের নির্দেশ মেনে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে মিলে নাকি প্রভাব খাটিয়ে তোলাবাজি করতেন শান্তনু। এর আগে জয় কামদারকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অতীতেও তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সময় তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, জয়ের বাড়ি থেকে মোট ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিলেন কেন্দ্রীয় অফিসাররা। এদিকে শান্তনু বিশ্বাসের দুবাইতেও সম্পত্তি থাকতে পারে। সেই সম্পত্তির উৎস এবং অর্থের লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe