সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি তৃণমূল কংগ্রেসের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হেরেছেন। আর এপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্য উপদেষ্টা পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দুই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। এই দুই অবসরপ্রাপ্ত আমলাই রাজ্যের মুখ্যসচিব পদে ছিলেন। এছাড়াও এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সচিবের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন প্রাক্তন আমলা মনোজ পন্থ। অবসরের পরে মমতা তাঁদের বিশেষ পদে বসান। মমতার বিদায়ের পরপরই তাঁরাও সরে যাচ্ছেন নিজে থেকেই।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গিয়েও এখনও পদত্যাগ করেননি। তবে তাঁর তৈরি করা বিশেষ পদে বসে থাকা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসাররা পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন। উল্লেখ্য, গত ১৫ বছরে মমতা অবসরপ্রাপ্ত আমলা এবং পুলিশ কর্তাদের নিয়ে সমান্তরাল আমলাতন্ত্র চালিয়েছেন বলে দাবি করা হয় বিভিন্ন মহলে। মমতার স্নেহভাজন বিভিন্ন আমলারা অবসরের পরে মমতার প্রশাসনে বিশেষ পদ পেয়েছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতার বিদায়ের পরে সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসতে চলেছে। আর তাই বুঝে নতুন সরকার গঠনের আগেই সরে যাচ্ছেন আলাপন হরিকৃষ্ণরা।
এদিকে মমতার সরকারের নিযুক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপালকে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল পদে নিয়োগ করা হয়েছিল কিশোর দত্ত। এরপর থেকে তিনিই এই দায়িত্বে আছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তারপরই কিশোর দত্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আর নয়া সরকার গদিতে বসার আগেই নিজে থেকে কিশোর পদত্যাগ করলেন।