...
...
Next Story

Rathin Ghosh: ৫ বার তলব এড়িয়েছেন আগে, আজ অফিসারদের না জানিয়েই ইডির অফিসে রথীন ঘোষ

রথীন ঘোষের সুপারিশে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় কাদের চাকরি হয়েছে, সেই সংক্রান্ত একটি তালিকা রয়েছে ইডির কাছে। এই মামলায় ধৃত অয়ন শীলের কাছ থেকে এই সব তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে সাক্ষীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে রথীনকে জেরা করা হতে পারে।

Published on: May 15, 2026 11:00 AM IST
Advertisement

Rathin Ghosh: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলা আজ ইডির অফিসে হাজিরা দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ। এর আগে পাঁচবার তলব করা হলেও তিনি বারংবার সেই তলব এড়িয়ে গিয়েছেন। এর আগে ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কথা বলে হাজিরা এড়িয়েছিলেন। ভোটের পরে রথীন জানান, বাথরুমে পরে তিনি চোট পেয়েছেন। এরই মাঝে আজ সকাল সকাল সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান। সেখানে সাংবাদিকদের রথীন বলেন, 'আমায় ডেকেছে। তবে কীসের জন্য ডেকেছে, সেটা তো জানি না। ভিতরে গেলে জানতে পারব।'

পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলা আজ ইডির অফিসে হাজিরা দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ।
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলা আজ ইডির অফিসে হাজিরা দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ।

ইডির দাবি, রথীন ঘোষের সুপারিশে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় কাদের চাকরি হয়েছে, সেই সংক্রান্ত একটি তালিকা রয়েছে ইডির কাছে। এই মামলায় ধৃত অয়ন শীলের কাছ থেকে এই সব তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে সাক্ষীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে রথীনকে জেরা করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সেই ইডি হেফাজতে আছেন অপর এক প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু।

উল্লেখ্য, পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের সূত্রপাত হয়েছিল স্কুল সার্ভিস দুর্নীতি তদন্তের সময়। ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে সিবিআই গ্রেফতার করার পর তাঁর সল্টলেক অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছিল একগুচ্ছ ওএমআর শিট। সেই নথি থেকেই সামনে আসে পুরসভার নিয়োগেও জালিয়াতির বিষয়টি। অয়নের সংস্থা পুরনিয়োগে ওএমআর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল। সেই সূত্র ধরে একে একে বহু দফতর ও ব্যক্তির উপর নজর রেখে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। আর এই মামলায় আর্থিক অনিয়মের দিকটি সামনে আসতেই তদন্তে নামে ইডিও। ইডির বক্তব্য, পুরনিয়োগ দুর্নীতির টাকার একটা অংশ বিভিন্ন হোটেল, রেস্তরাঁসহ কিছু ব্যক্তিগত ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। এই আবহে সুজিতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, কোভিডের সময় বন্ধ থাকা সস্ত্বেও সুজিতের রেস্তোরাঁর অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি টাকা ঢুকেছে। এই নিয়ে কোনও যুক্তি দিতে পারছেন না সুজিত। এবার আজ এই দুর্নীতি মামলায় রথীনকে প্রশ্ন করবেন ইডি অফিসাররা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe