দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার মহিষাদলের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। তাঁর এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলার তদন্তে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক নথি ও তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখার পর এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, তিলক চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেয়। অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন এই তৃণমূল নেতা। এছাড়া ধৃত বিধায়কের বিরুদ্ধে গেঁওখালি জল প্রকল্পে চাকরির নামে ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
গ্রেফতারের পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সম্ভাব্য অন্যান্য দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা জানতে চাইছে অভিযোগে উল্লিখিত আর্থিক লেনদেনের প্রকৃতি, সেই অর্থ কোথা থেকে এসেছে এবং কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মহিষাদলে রাজনৈতিক কারণে তিনি পরিচিত মুখ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অভিযোগের কারণে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন। তদন্তকারীদের দাবি, মামলার স্বার্থে আরও কিছু নথি সংগ্রহ এবং একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সেই কারণে আদালতের কাছে পুলিশি হেফাজতের আবেদনও জানানো হতে পারে। অন্যদিকে, অভিযুক্তের আইনজীবীরা অভিযোগের বিরোধিতা করে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে প্রাক্তন বিধায়কেরই হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি সম্পর্কিত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৫০৬), গৃহে অনধিকার প্রবেশের শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৪৪৮), সরকারি দায়িত্ব পালনে সরকারি কর্মচারীকে বাধা প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৮৬), বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৪৩), একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কৃত কৃতকর্ম সম্পর্কিত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৩৪), দাঙ্গার শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৪৭), অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৪৪৭), স্বেচ্ছায় আঘাত করার শাস্তি সম্পর্কিত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৩২৩), মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৪৮), সরকারি কর্মচারীকে আঘাতের হুমকি সংক্রান্ত অভিযোগে (আইপিসি ধারা-১৮৯) মামলা রুজু ছিল এর আগে।
{{/usCountry}}এদিকে প্রাক্তন বিধায়কেরই হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি সম্পর্কিত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৫০৬), গৃহে অনধিকার প্রবেশের শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৪৪৮), সরকারি দায়িত্ব পালনে সরকারি কর্মচারীকে বাধা প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৮৬), বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৪৩), একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কৃত কৃতকর্ম সম্পর্কিত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৩৪), দাঙ্গার শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৪৭), অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৪৪৭), স্বেচ্ছায় আঘাত করার শাস্তি সম্পর্কিত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-৩২৩), মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা সংক্রান্ত অভিযোগ (আইপিসি ধারা-১৪৮), সরকারি কর্মচারীকে আঘাতের হুমকি সংক্রান্ত অভিযোগে (আইপিসি ধারা-১৮৯) মামলা রুজু ছিল এর আগে।
{{/usCountry}}