...
...
Next Story

Ex-Army officer on India-Bangladesh Border: বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে হাইকোর্টে ভারতীয় সেনার প্রাক্তন কর্তা! সামনে বড় তথ্য

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ভারতীয় সেনার প্রাক্তন কর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের একটা বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশ।

Published on: Jan 22, 2026, 12:33:21 IST
Advertisement

সীমান্তে সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে সরব হলেন প্রাক্তন সেনাকর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের একাংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা দায়ের করেছেন প্রাক্তন সেনাকর্তা, সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফের হাতে এখনও অনেকটাই জমি হস্তান্তর করেনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। যদিও পালটা রাজ্য সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে যে জমি হস্তান্তরের জন্য ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভা সবুজ সংকেত দিয়েছে। করা হয়েছে উপযুক্ত পদক্ষেপ।

প্রায় ১২৭ কিমির মতো জমি দেয়নি রাজ্য, সওয়াল হাইকোর্টে

বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন সেনাকর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন সেনাকর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

এমনিতে হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানিতে হিসাব তুলে ধরে প্রাক্তন সেনাকর্তার আইনজীবী সওয়াল করেন যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জমির অনেকটাই সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেয়নি। আপাতত প্রায় ৭১ কিলোমিটার জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু প্রায় ১২৭ কিমির মতো জমি এখনও দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে। সবথেকে বেশি জমি দেওয়া হয়নি মালদায়। যা প্রায় ৩১ কিমির মতো বলে হাইকোর্টে সওয়াল করেন প্রাক্তন সেনাকর্তার আইনজীবী।

রাজ্য সরকারের তরফে কী দাবি করা হল?

যদিও পালটা হলফনামা দাখিল করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইতিমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বিএসএফের হাতে জমি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। জমি অধিগ্রহণের জন্য গঠন করা হয়েছে ডিরেক্ট পারচেজ কমিটিও।

জমি অধিগ্রহণ নিয়ে অমিত শাহ বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পালটা দাবি করেন, বিএসএফকে জমি দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে অনুপ্রবেশ নিয়ে পালটা শাহকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘পহেলগাঁও তাহলে কি আপনারা করলেন? দিল্লিতে কিছুদিন যে ঘটনা ঘটে গেল, তাহলে কি আপনারা করলেন? অনুপ্রবেশকারী (নাকি) বাংলা ছাড়া কোথাও নেই।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe