Voter Slip Controversy: এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন পরিবারের ৩ জন সদস্য। আর সেই শুনানিতে যাওয়ার পরে তাঁদের কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে খোদ বিএলও-র বিরুদ্ধে। টাকা না দেওয়ায় ভোটার স্লিপ আটকে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর কালুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরাতন বনগাঁ এলাকায়। যদিও টাকা চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত বিএলও।

বুধবার দ্বিতীয় দফায় সাতটি জেলার মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তাই এই সব কেন্দ্রের ভোটারদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ বা ভোটার স্লিপ। এতদিন সাধারণত ভোটার স্লিপ দিয়ে এসেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তবে এবার থেকে সেই কাজ তাদের করতে বারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের কড়া নির্দেশ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ দেবে বিএলও-রা। তাদের সহয়তা করবেন কোনও ভোটকর্মী। রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ভোটার স্লিপ দিতে পারবেন না। আর এই ভোটার স্লিপ পৌঁছে দিতে গিয়ে বিএলও নাকি হাজার হাজার টাকা নিয়েছেন, এমনই অভিযোগ বনগাঁবাসীর ৷ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরাতন বনগাঁর বাসিন্দা সুশীল বিশ্বাস। তাঁর কাছ থেকেই টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএলও-র বিরুদ্ধে।
সুশীলের বক্তব্য, তাঁর ৭০ নম্বর পার্টের বিএলও মৃন্ময় রায় তাঁদের এসআইআর-এর শুনানির জন্য ডেকেছিলেন। তাঁদের পরিবারের তিন জনের জন্য ৩০ হাজার করে টাকা চেয়েছিলেন। তবে সেই টাকা তিনি দেননি। সুশীল বিশ্বাস দাবি করেছেন, ভোটার তালিকায় নাম ওঠার পরেও নানান ছল বাহানায় টাকা চাইতেন বিএলও মৃন্ময় রায়। তাঁর আরও অভিযোগ করেন, এসআইআর শুনানির জন্য টাকা চেয়েও থামেননি বিএলও মৃন্ময় রায়। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ভোটারদের জন্য দেওয়া স্লিপ আটকে রেখে টাকা দাবি করেছেন। তবে অভিযোগ করার পর তার ভোটার স্লিপ দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাতে বিএলও-র বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অভিযোগকারী ভোটারের পরিবারের সদস্যরা। বেশ কিছু সময় পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বনগাঁ থানার পুলিশ। পাশাপাশি ই-মেল মারফত নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন, সুশীল বিশ্বাসের মেয়ে প্রিয়া বিশ্বাস।
স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতির স্বামী সুভাষ শীলের দাবি, একই ভাবে প্রায় ৫০ জন বৈধ ভোটারের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে ওই বিএলও। এমনকী বুধবার ভোটগ্রহণের কিছু সময় আগেও তিনি ভোটার স্লিপ দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর কাছ থেকে টাকা দাবি করেছেন। অবিলম্বে অভিযুক্ত বিএলও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএলও মৃন্ময় রায়। তিনি বলেন, 'ওই ব্যক্তির স্লিপ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে আমি স্লিপ দিয়ে এসেছি।' বিএলও-এর দাবি, স্থানীয় তৃণমূল নেতা ষড়যন্ত্র করে তাঁর নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। এদিকে, বিজেপির বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার কনভেনার প্রবীর রায় বলেন, 'আমরা বারংবার বলেছি, তৃণমূলের সঙ্গে চক্রান্ত করে বিএলও-রা সাধারণ মানুষের ভোট কেটে দিয়েছে। তৃণমূলের পথে হেটে বিএলও কাটমানি চাইছে।'
{{/usCountry}}স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতির স্বামী সুভাষ শীলের দাবি, একই ভাবে প্রায় ৫০ জন বৈধ ভোটারের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে ওই বিএলও। এমনকী বুধবার ভোটগ্রহণের কিছু সময় আগেও তিনি ভোটার স্লিপ দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর কাছ থেকে টাকা দাবি করেছেন। অবিলম্বে অভিযুক্ত বিএলও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএলও মৃন্ময় রায়। তিনি বলেন, 'ওই ব্যক্তির স্লিপ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে আমি স্লিপ দিয়ে এসেছি।' বিএলও-এর দাবি, স্থানীয় তৃণমূল নেতা ষড়যন্ত্র করে তাঁর নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। এদিকে, বিজেপির বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার কনভেনার প্রবীর রায় বলেন, 'আমরা বারংবার বলেছি, তৃণমূলের সঙ্গে চক্রান্ত করে বিএলও-রা সাধারণ মানুষের ভোট কেটে দিয়েছে। তৃণমূলের পথে হেটে বিএলও কাটমানি চাইছে।'
{{/usCountry}}