ভোটের আগে নিজেকে 'পুষ্পা' বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। সেই জাহাঙ্গির খান ফলতা পুনর্নিবাচনের দু'দিন আগে ভোট থেকে 'সরে দাঁড়ালেন'। উল্লেখ্য, আজই ফলতা পুনর্নিবাচনে প্রচারের শেষ দিন। এই আবহে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলে জাহাঙ্গির বলেন, 'ফলতার উন্নয়ন ও শান্তির স্বার্থে তিনি লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি আমি।'

ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু থেকেই ছিল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তিনি আদৌ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না। একাধিক অভিযোগ এবং নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্কের আবহে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে ফলতা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে বিতর্ক তীব্র হয়। অভিযোগ ছিল, ভোটারদের ভয় দেখানো থেকে শুরু করে বুথ দখল ও ইভিএমে কারচুপির মতো ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। এই অভিযোগের জেরেই পুরো কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় শর্মা পালের নেতৃত্বে জাহাঙ্গির খানকে খোঁজার ঘটনাও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অভিযোগ ওঠে, তিনি এলাকায় থাকলেও প্রশাসনের সামনে আসছিলেন না। তাঁর বাড়ি ও গাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও সতর্ক করতে দেখা যায় পুলিশ পর্যবেক্ষককে। যদিও জাহাঙ্গির খান সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি কাউকে ভয় পান না এবং রাজনৈতিকভাবে তাঁকে চাপে ফেলার চেষ্টা চলছে।
এই আবহেই তৃণমূলের অন্দরমহলে ফলতা কেন্দ্র নিয়ে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। যদিও দলীয়ভাবে এখনও স্পষ্টভাবে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে জাহাঙ্গির নিজেই ঘোষণা দিলেন তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই। যদিও তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারবেন না।
{{/usCountry}}এই আবহেই তৃণমূলের অন্দরমহলে ফলতা কেন্দ্র নিয়ে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। যদিও দলীয়ভাবে এখনও স্পষ্টভাবে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে জাহাঙ্গির নিজেই ঘোষণা দিলেন তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই। যদিও তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারবেন না।
{{/usCountry}}