Samik on Bangladesh Durga Puja: 'পশ্চিমবঙ্গের কিছু-কিছু জেলাকে দেখ কার্যত মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে'
Samik Bhattacharya on Bangladesh Durga Puja: 'পশ্চিমবঙ্গের কিছু-কিছু জেলাকে কার্যত মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে' - দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আজ কলেজ স্কোয়ারের খুঁটিপুজোয় এসে সেই মন্তব্য করেন।
Samik Bhattacharya on Bangladesh Durga Puja: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলাকে দেখে মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, ‘এবার নির্বিঘ্নে গোটা পশ্চিমবঙ্গে পুজো হবে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে চূড়ান্ত র্যাডিকালাইজেশন তৈরি হয়েছে। কিছু কিছু জেলাকে কার্যত মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশে দুর্গা প্রতিমার হাত ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। ঘট তুলে দেওয়া হচ্ছে। দেবীদুর্গার উদ্দেশ্যে যে গান আছে, সেটা কিছুটা বাজিয়ে সেখানে ডিজে বাজিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

বিজেপি বিধায়কদের স্পষ্ট বার্তা
তারইমধ্যে শমীক বার্তা দিয়েছেন যে পুজো কমিটিকে রাজনীতির আঙিনার বাইরে রাখতে হবে। যিনি দিনকয়েক আগেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন যে বিধায়করা নিজেদের এলাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে-ঘুরে পুজো কমিটির সভাপতি যেন না হন। তবে যে বিধায়করা ইতিমধ্যে পুজো করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম প্রয়োজ্য হবে না। সেক্ষেত্রে বিশেষভাবে তিনি বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষের নাম করেছেন। যিনি দীর্ঘদিন ধরেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর সঙ্গে যুক্ত আছেন। ফলে সজলের মতো যাঁরা আগে থেকেই পুজো করে আসছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই।
ট্রেন্ড ভাঙতে চাইছে বিজেপি, দাবি শমীকের
তিনি বলেছিলেন, ‘অতি উৎসাহী হয়ে জনগণের কাজ ছেড়ে, মানুষের পরিষেবা বন্ধ রেখে দুর্গাপুজো করব, এই প্রচেষ্টা ঠিক নয়। পার্টি নীতিগতভাবে এর বিরোধী।’ সেই মর্মে বিজেপি বিধায়কদের স্পষ্টবার্তাও দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন শমীক। যিনি তৃণমূল কংগ্রেস আমলের ট্রেন্ড ভাঙতে চাইছেন।
কলেজ স্কোয়ারের পুজোর সভাপতি হচ্ছেন না শমীক
সেইসঙ্গে কলেজ স্কোয়ারের পুজো কমিটির তরফে তাঁকে যে সভাপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তাও খারিজ করে দেন শমীক। আর কেন সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘আমি চাই, সমাজের যাঁরা নিরপেক্ষ, প্রতিষ্ঠিত গুণীজন ও মানুষ আছেন, স্থানীয় যাঁরা মানুষ আছেন, তাঁরা (পুজো কমিটির সভাপতি) হন। নাহলে এই পুজো কালচার, একটা কম্পিটিশন (প্রতিযোগিতা), নতুন করে নিজেদের পেশিশক্তির প্রদর্শন এবং পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় অস্থিরতা তৈরি করা, পার্টি হিসেবে আমরা সেই অবস্থানে নেই।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


