Bengal Industrial Project: ১৫০০০ কোটি টাকা, ২০০০০ চাকরি- বড় লগ্নি বাংলায়, রথের পরদিনই বাঁকুড়ায় পথচলা শুরু
Bengal Industrial Project: ১৫০০০ কোটি টাকা, ২০০০০ চাকরি- বড় লগ্নি হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। রথের পরদিনই বাঁকুড়ায় পথচলা শুরু। বাঁকুড়ায় ১০,০০০ কোটি টাকা লগ্নি করা হবে। বাকি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।
Bengal Industrial Project: বিনিয়োগের অঙ্কটা ১৫,০০০ কোটি টাকা। আর চাকরি হবে ২০,০০০। পশ্চিমবঙ্গে মেগা লগ্নির পরিকল্পনা সেরে ফেলেছে শ্যাম স্টিল গ্রুপ। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্যাম স্টিল গ্রুপের ডিরেক্টর ললিত বেরিওয়াল জানিয়েছেন যে বাঁকুড়ার মেজিয়ায় যে ইস্পাত কারখানা আছে, তাতে ১০,০০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করা হবে। ফলে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে তৈরি হবে ১৫,০০০ কর্মসংস্থান। তাছাড়াও আর প্রতিরক্ষা, আবাসন, টাউনশিপ-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে আরও ৫,০০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করা হবে। সেখানে আরও ৫,০০০ চাকরি হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন শ্যাম স্টিল গ্রুপের ডিরেক্টর।

রথের পরদিনই পথচলা শুরু করা হতে পারে
এমনিতে বাঁকুড়ায় একটি ইন্টিগ্রেটেড স্টিল প্ল্যান্ট তৈরি করছে শ্যাম স্টিল গ্রুপ। সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী শুক্রবারই (রথযাত্রার পরদিন) সেই কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যা পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হয়ে উঠতে পারে।
একলপ্তে বাড়বে ইস্পাত কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্যাম স্টিল গ্রুপের ডিরেক্টর জানিয়েছেন, যে ইন্টিগ্রেটেড স্টিল প্ল্যান্ট তৈরি করা হচ্ছে, সেটার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা হল দুই মিলিয়ন টন। সবমিলিয়ে সংস্থার বার্ষিক ক্ষমতা ৩.৫ মিলিয়ন টনে পৌঁছে যাবে। সেই পরিস্থিতিতে যখন ওই ইন্টিগ্রেটেড স্টিল প্ল্যান্ট কাজ করতে চালু করে দেবে, তখন সেটি ভারতের অন্যতম বৃহত্তম ইস্পাত কারখানা হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Kolkata Night Bus Services: কলকাতায় রাতেও চলবে সরকারি বাস! ‘নাইট সার্ভিস’ ফেরানোর তোড়জোড় রাজ্যের
বাংলায় শিল্পের পরিবেশ ফেরাতে মরিয়া শুভেন্দু সরকার
এমনিতে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা এসেই শিল্পের পরিবেশ ফেরানোর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি সরকার। গত সপ্তাহেই হুগলির ডানকুনিতে লাক্সকোজির একটি কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর কেন্দ্র গড়া নিয়ে জাপানের সংস্থার কথাবার্তা হয়েছে রাজ্য সরকারের। বিনিয়োগ করছে আদানি গোষ্ঠী।
নবান্নে একাধিক শিল্পপতি দেখা করে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। তাছাড়াও মুম্বইয়ে গিয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে টাটা গোষ্ঠীকে ফিরিয়ে আনা হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


