তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ডায়মন্ড হারবার থানায়। অভিযোগকারী বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ‘ববি’ নামেই বেশি পরিচিত। ২০১৮ সালে তাঁর উপর হামলার ঘটনার জেরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ছ’জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জাহাঙ্গির খানের নামও আছে সেই এফআইআরে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ অভিজিৎ দাস। গত লোকসভা নির্বাচনে তিনি ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী হিসেবেও লড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ২০১৮ সালে ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড় এলাকায় পরিকল্পিতভাবে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছিল। সেই হামলার নেপথ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ঘটনায় তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং ঘটনাস্থলেই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হলেও তৎকালীন প্রশাসন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে দাবি বিজেপি নেতার। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে তদন্ত এগোয়নি এবং বিচারও মেলেনি।
মঙ্গলবার রাতে ফের ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ডায়মন্ড হারবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ববি। তিনি দাবি করেন, হামলার জেরে আজও শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর কথায়, “আমি এখনও স্বাভাবিকভাবে সিঁড়ি ভাঙতে পারি না। আমার উপর পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই সময় পুলিশকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। এবার সুবিচার পাব বলে আশা করছি।”
এই অভিযোগের ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তালিকায় আরও একটি নতুন অভিযোগ যুক্ত হল। তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, কোনও এফআইআর দায়ের হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইনি দায় নির্ধারণের বিষয়টি তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। বর্তমানে পুলিশ অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বলে জানা গিয়েছে।
{{/usCountry}}এই অভিযোগের ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তালিকায় আরও একটি নতুন অভিযোগ যুক্ত হল। তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, কোনও এফআইআর দায়ের হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং আইনি দায় নির্ধারণের বিষয়টি তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। বর্তমানে পুলিশ অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বলে জানা গিয়েছে।
{{/usCountry}}