রবিবাসরীয় ভোরবেলায় কাটোয়া স্টেশনে আতঙ্ক। ট্রেনের মধ্যে দাউ দাউ করে আগুন, জ্বলতে থাকে ট্রেনের কামরা। স্বাভাবিকভাবে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় অবশেষে নিয়ন্ত্রণে এসেছে আগুন। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে কোনও হতাহতের খবর নেই বলেই জানা গিয়েছে।

জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশনে। কাটোয়া স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েছিল কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকাল ট্রেন। কাটোয়া স্টেশনে ওই ট্রেনের মধ্যে আগুন দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। রবিবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের কামরায় আগুন দেখতে পান যাত্রীরা। ফলে যাত্রীদের মধ্যে নিমেষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে জিআরপি আর ইপিএফ ঘটনাস্থলে আসে। খবর দেওয়া হয় দমকলকে। দমকল সূত্রে জানা গেছে, এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন পুরো নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শর্ট সার্কিট থেকে লোকাল ট্রেনের কামরায় আগুন লেগেছে বলে দমকলের প্রাথমিক অনুমান।
কাটোয়া ২ নম্বর প্লাটফর্মে আগুনে পোড়া কামরাকে ডেঞ্জার টেপ দিয়ে ঘিরে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। স্টেশন কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করেনি এই ঘটনাটি ঘিরে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার খানিকক্ষণ পরেই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে। কীভাবে আগুন লেগেছে খতিয়ে দেখছেন রেলের আধিকারিকরা। কোন ট্রেনের কোচে আগুন লেগেছে, সে তথ্য এখনও পরিষ্কার নয়। তবে পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক। হাওড়া রেলওয়ে ডিভিশনের ডিআরএমের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে যাবে বলে রেল সূত্রে খবর। এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাজি বলেন, ‘ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল। সুতরাং কী ভাবে তাতে আগুন লাগল তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আমরা খতিয়ে দেখছি।’ তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। তবে ভোরের এমন ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।
গত মাসেই এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। বাঘাযতীন রেল স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চরম ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা। সকাল আনুমানিক ৬টা নাগাদ বাঘাযতীন স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে থাকা একটি কাপড়ের দোকানে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক ছড়ায় স্টেশন চত্বরে। অগ্নিকাণ্ডের জেরে নিরাপত্তার স্বার্থে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ডাউন লাইনে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রেন চলাচল। প্রায় আধঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় তার প্রভাব পড়ে আপ লাইনেও। একাধিক লোকাল ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে। সোমবার সকালের ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনার ফলে অফিসযাত্রী ও নিত্যযাত্রীদের চরম সমস্যায় পড়তে হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ইঞ্জিন। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
{{/usCountry}}গত মাসেই এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। বাঘাযতীন রেল স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চরম ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা। সকাল আনুমানিক ৬টা নাগাদ বাঘাযতীন স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে থাকা একটি কাপড়ের দোকানে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক ছড়ায় স্টেশন চত্বরে। অগ্নিকাণ্ডের জেরে নিরাপত্তার স্বার্থে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ডাউন লাইনে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রেন চলাচল। প্রায় আধঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় তার প্রভাব পড়ে আপ লাইনেও। একাধিক লোকাল ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে। সোমবার সকালের ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনার ফলে অফিসযাত্রী ও নিত্যযাত্রীদের চরম সমস্যায় পড়তে হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ইঞ্জিন। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
{{/usCountry}}