Firhad Hakim: রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার ক্রীড়া প্রশাসনেও পরিবর্তনের হাওয়া স্পষ্ট। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম রাজ্য ভলিবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে শুধু কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ নয়, ক্রীড়া সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, প্রাক্তন পুলিশকর্তা গৌতমমোহন চক্রবর্তী পদ ছাড়ার পর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্য ভলিবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই দায়িত্বে প্রায় এক বছর থাকার পর এবার তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই ক্রীড়া সংগঠনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার কথা বারবার শোনা গিয়েছে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বক্তব্যে। এরপর থেকেই ময়দানের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থায় রদবদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে ক্রীড়ামহলে আলোচনা চলছে। একাধিক সংস্থার শীর্ষপদে থাকা স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজন নেতাও বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের দায়িত্ব ছেড়েছেন। সেই তালিকাতেই এবার যুক্ত হল ফিরহাদ হাকিমের নাম।
সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবারই ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগপত্র রাজ্য ভলিবল সংস্থার ময়দানস্থ কার্যালয়ে পৌঁছে যায়। তবে এই বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন সংস্থার বর্তমান সচিব পল্টু রায়চৌধুরী। তাঁর দাবি, তিনি এখনও পর্যন্ত কোনও পদত্যাগপত্র হাতে পাননি। এই বক্তব্য ঘিরেই নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের প্রাক্তন ভলিবলারদের একাংশ অভিযোগ তুলেছেন, পদত্যাগপত্র জমা পড়ার বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাক্তন ভলিবলার গোবিন্দ ভট্টাচার্যের দাবি, ফিরহাদ হাকিমের প্রতিনিধি সংস্থার তাঁবুতে এসে সচিবের উদ্দেশে লেখা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে গিয়েছেন এবং সেই ঘটনার একাধিক সাক্ষীও রয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ব্যক্তিগত স্বার্থে বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হচ্ছে না।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভলিবল সংস্থার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। নির্বাচন পর্ব শেষ হলে তিনি বিষয়গুলি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর তাঁকে আর ময়দানের কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি বলে ক্রীড়ামহলের একাংশের দাবি। পরবর্তীতে চেতলা অগ্রণীর কয়েকজন কর্তার মাধ্যমে তাঁর পদত্যাগপত্র ভলিবল সংস্থার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। যদিও পদত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও ঘোষণা হয়নি।
{{/usCountry}}তাৎপর্যপূর্ণভাবে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভলিবল সংস্থার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। নির্বাচন পর্ব শেষ হলে তিনি বিষয়গুলি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর তাঁকে আর ময়দানের কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি বলে ক্রীড়ামহলের একাংশের দাবি। পরবর্তীতে চেতলা অগ্রণীর কয়েকজন কর্তার মাধ্যমে তাঁর পদত্যাগপত্র ভলিবল সংস্থার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। যদিও পদত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও ঘোষণা হয়নি।
{{/usCountry}}ফিরহাদ হাকিমের এই পদত্যাগকে কেন্দ্র করে এখন ক্রীড়া ও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থায় ভবিষ্যতে আরও রদবদল হতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে রাজ্যের ক্রীড়া প্রশাসনের নেতৃত্বে কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেদিকেই নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।