...
...
Next Story

'দিনে ৬-৭ বার ফোন...,' যুদ্ধ আবহে মদিনায় আটকে পরিবার, কতটা চিন্তায় ছিলেন মেয়র? জানালেন ফিরহাদ-কন্যা

এই প্রথমবারই পবিত্র রমজান মাসে মদিনায় গিয়েছিলেন প্রিয়দর্শিনী। সঙ্গে ছিলেন মা এবং মেয়ে। শুক্রবার মদিনায় পৌঁছান তাঁরা।

Published on: Mar 4, 2026, 22:31:38 IST
Advertisement

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। ভারতীয়দের মধ্যে অনেকেই আটকে পড়েছেন বিভিন্ন দেশে। পবিত্র রমজান মাসে মদিনায় ধর্মীয় সফরে গিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আটকে পড়েন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের রুবি হাকিম, কন্যা প্রিয়দর্শিনী এবং নাতনি। দুশ্চিন্তার মধ্যে কয়েকদিন কাটানোর পর অবশেষে নিরাপদেই তাঁরা সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন মঙ্গলবার। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরো পরিবারের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে এ বিষয়ে মুখ খোলেন ফিরহাদ কন্যা।

সৌদি থেকে কলকাতা ফিরলেন মেয়র কন্যা

যুদ্ধবিধ্বস্ত সৌদি থেকে শহরে ফিরে পরিবারের সঙ্গে ফিরহাদ-কন্যা (সৌজন্যে ফেসবুক )
যুদ্ধবিধ্বস্ত সৌদি থেকে শহরে ফিরে পরিবারের সঙ্গে ফিরহাদ-কন্যা (সৌজন্যে ফেসবুক )

পবিত্র রমজান মাসে মা রুবি এবং মেয়েকে নিয়ে মদিনায় গিয়েছিলেন ফিরহাদ কন্যা প্রিয়দর্শিনী। গত মাসেই ফেরার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদিতেই আটকে পড়েন তাঁরা। শেষমেষ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে দোল পূর্ণিমার সকালে কলকাতায় ফেরেন মেয়রের স্ত্রী, কন্যা এবং নাতনি। পরিবারকে কাছে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন মেয়রও। কী পরিস্থিতি ছিল সেখানে? ফিরলেন কীভাবে? কতটা চিন্তিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম? সবটা জানালেন প্রিয়দর্শিনী হাকিম।

এই প্রথমবারই পবিত্র রমজান মাসে মদিনায় গিয়েছিলেন প্রিয়দর্শিনী। সঙ্গে ছিলেন মা এবং মেয়ে। শুক্রবার মদিনায় পৌঁছান তাঁরা। শনিবার থেকেই যুদ্ধে জড়ায় ইরান এবং ইজরায়েল-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। রবিবার নমাজ পাঠের পর পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে পারেন তাঁরা। তখনই বন্ধ হয়ে যায় আকাশসীমা। মধ্যপ্রাচ্য এড়িয়ে চলতে শুরু করে বিমান সংস্থাগুলি। সৌদিতেই মা মেয়েকে নিয়ে আটকে পড়েছিলেন প্রিয়দর্শিনী। ফেসবুক লাইভে সেখানকার পরিস্থিতির কথা আগেই জানিয়েছিলেন মেয়র কন্যা। মঙ্গলবার বাড়ি ফিরে স্বস্তি পেলেন সকলে। সেই সঙ্গে প্রিয়দর্শিনী জানান, তাঁরা আটকে পড়ায় কতটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রিয়দর্শিনী জানান, তিনি এবং তাঁর মা মানসিক ভাবে শক্ত ছিলেন। জানতেন যে মক্কা মদিনায় যখন গিয়েছেন, নিরাপদে ফিরতে পারবেন ঠিক। এরপরেই প্রিয়দর্শিনী জানান, 'আমি, আমার মা সবাই মানসিকভাবে শক্ত ছিলাম। জানতাম, এই পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পাবই। আসলে মক্কা-মদিনায় গিয়েছি তো, তাই ভরসা ছিল যে ফিরতে পারব নিরাপদে। কিন্তু বাবা সব শোনার পর ভীষণ চিন্তা করছিলেন। দিনে ৬-৭ বার ফোন করতেন আর শুধু বলতেন, ‘তোরা ফিরে আয়।’ আসলে বাবা আমাদের সবসময় আগলে রাখেন। তাই এতটা চিন্তা করছিলেন।' পরিবারকে নিরাপদে ফিরে পেয়ে এখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন ফিরহাদ হাকিম।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe