...
...
Next Story

Gariahat Market: মানুষের পাতে 'বিষ'? সপ্তাহের শুরুতেই গড়িয়াহাট বাজারে অভিযান, ভ্যাটে মাংস-মাছের নমুনা সংগ্রহ

Gariahat Market: এদিন গড়িয়াহাট বাজারে একের পর এক মাছের দোকান (Fish Market) ঘুরে খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। প্রত্যেকটি দোকান থেকে মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

Published on: Sep 7, 2026, 16:25:46 IST
Advertisement

Gariahat Market: বিগত কয়েকদিন ধরেই কলকাতা (Kolkata) ও রাজ্যের বিভিন্ন হোটেল এবং রেস্তোঁরা গুলিতে হানা দিচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর। সেখানে খাবারের গুণগত মান এবং পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হোটেল, রেস্তোঁরার পর এবার সরাসরি বাজারে হানা দিল খাদ্য সুরক্ষা দফতর। সপ্তাহের প্রথম দিনেই শহরের অন্যতম ব্যস্ত গড়িয়াহাট বাজারে (Gariahat Bazar) অতর্কিত অভিযান চালাল কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দফতর।

সপ্তাহের শুরুতেই গড়িয়াহাট বাজারে অভিযান, ভ্যাটে মাংস-মাছের নমুনা সংগ্রহ (সৌজন্যে টুইটার)
সপ্তাহের শুরুতেই গড়িয়াহাট বাজারে অভিযান, ভ্যাটে মাংস-মাছের নমুনা সংগ্রহ (সৌজন্যে টুইটার)

সোমবার সকালে সবে মাত্র পসরা সাজিয়ে কেনাবেচা শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা, এমন সময় বাজারে ঢোকে পুরসভার (KMC News) একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল। ভেজাল ও নিম্নমানের খাবার রুখতে এই অভিযানে একদিকে যেমন সংগৃহীত হল মাছের নমুনা, তেমনই মারাত্মক অনিয়ম মেলায় বাজেয়াপ্ত ও নষ্ট করা হল প্রচুর হিমায়িত মাংস। এদিন গড়িয়াহাট বাজারে একের পর এক মাছের দোকান (Fish Market) ঘুরে খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। প্রত্যেকটি দোকান থেকে মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ব্যবসায়ীর নাম, স্বাক্ষর সহ সেই নমুনা ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। একই পদ্ধতিতে বাজারের প্রত্যেকটি দোকান থেকে স্যাম্পেল নেন তাঁরা।

তবে আসল বিভ্রাট ঘটে মাংসের দোকানে নজরদারি চালাতে গিয়ে। কাঁচামাল সংরক্ষণের বরফ-ক্রেট খুলতেই আধিকারিকদের সামনে আসে আশঙ্কাজনক দৃশ্য—প্যাকেটে ঠাসা কেজি কেজি মুরগি ও খাসির মাংস হিমায়িত করে রাখা রয়েছে। ফ্রোজেন মাংসের প্যাকেটের কোনওটাতেই কবেকার সংরক্ষণ বা কতদিন পর্যন্ত তা ব্যবহারের যোগ্য থাকবে, তার কোনও তারিখ লেখা নেই। ফ্রিজে রাখা মাংস পুরোপুরি বাজেয়াপ্ত করা হয়, এমনকী সেগুলি ব্যবহারের অযোগ্য করে তুলতে ঢালা হয় ফিনাইল জল। তারপর ভ্যাটে ফেলার ব্যবস্থা করা হয় প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি মাংস। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ফ্রোজেন মাংস হোটেল, রেস্তরাঁতেও থাকে, কিন্তু সেগুলিতে নির্দিষ্ট ডেট ট্যাগিং করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এই বাজারে যে মাংসগুলি ফ্রোজেন করা ছিল, তাতে কোনও তারিখের উল্লেখ না থাকার কারণেই সেগুলি বাজেয়াপ্ত করে নষ্ট করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি, কাঁচা মাছ-মাংসের গুণগত মান বজায় রাখতে বাজারে ঘুরে ঘুরে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন ফুড সেফটি অফিসাররা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe