মার্চ মাসে রয়েছে একাধিক উৎসবের পালা। সামনেই পড়ছে চৈত্র নবরাত্রি। এদিকে, সামনের সপ্তাহে রয়েছে মতুয়া মেলা। এই মেলা ঘিরে অগণিত ভক্তের ঢল নামে ঠাকুরনগরে। সড়কপথে তো বটেই, ট্রেনেও বেশ ভিড় হয়। আর সেই ভিড় সামলাতে এবার পূর্ব রেল বিশেষ ২৮ টি ট্রেন চালু করল, যা ঠাকুরনগর স্টেশনে দাঁড়াবে। আগামী ১৬ মার্চ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত ঠাকুরনগর স্টেশনে দাঁড়াবে এমন ২৮ ট্রেনের তালিকা ও সময়সূচি প্রকাশ করেছে রেল।

জানা গিয়েছে, শিয়ালদা লাইনে ঠাকুরনগর স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেনগুলি। এই ট্রেনগুলি, ঠাকুরনগর ও গেদে, লালগোলা, ক্যানিং এবং নামখানা রুটের মধ্যে চলাচল করবে।গেদে-ঠাকুরনগর স্পেশাল (রানাঘাট-বনগাঁ হয়ে) ছাড়বে সোমবার বেলা ১১ টা ২০ মিনিটে। লালগোলা-ঠাকুরনগর স্পেশাল (রানাঘাট-বনগাঁ হয়ে) ছাড়বে সোমবার ভোর ৪ টে ৫ মিনিটে। ক্যানিং-ঠাকুরনগর স্পেশাল (বালিগঞ্জ-দমদম হয়ে) ছাড়বে সোমবার সকাল ৬ টা ৩৫ মিনিটে। নামখানা-ঠাকুরনগর স্পেশাল (বালিগঞ্জ-দমদম হয়ে) ছাড়বে সোমবার ভোর ৫ টায়।
মঙ্গলবার ও বুধবার গেদে-ঠাকুরনগর স্পেশাল সকাল সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ছাড়বে। মঙ্গলবার ও বুধবার লালগোলা-ঠাকুরনগর স্পেশাল ভোর ৪টে ৫০ মিনিটে ছাড়বে। মঙ্গলবার ও বুধবার ক্যানিং-ঠাকুরনগর স্পেশাল সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে ছাড়বে, নামখানা-ঠাকুরনগর স্পেশ্যাল ভোর ৫ টায় ছাড়বে। মঙ্গলবার ও বুধবার ঠাকুরনগর-গেদে স্পেশাল ছাড়বে বিকেল ৪ টে ৩৫ মিনিটে। মঙ্গলবার ও বুধবার ঠাকুরনগর-লালগোলা স্পেশাল ছাড়বে দুপুর ৩ টে ৪৫ মিনিটে। মঙ্গলবার ও বুধবার ঠাকুরনগর-ক্যানিং স্পেশাল ছাড়বে বিকেল ৫ টায়। মঙ্গলবার ও বুধবার ঠাকুরনগর-নামখানা স্পেশাল বিকেল ৪টে ০৫ মিনিটে ছাড়বে।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার, লালগোলা-ঠাকুরনগর স্পেশাল ভোর ৪টে ৫০ মিনিটে ছাড়বে। নামখানা-ঠাকুরনগর স্পেশাল সকাল ৫টায় ছাড়বে। ঠাকুরনগর-লালগোলা স্পেশাল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুপুর ৩টে ৪৫ মিনিটে ছাড়বে। ঠাকুরনগর-নামখানা স্পেশাল ছাড়বে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিকেল ৪টে ০৫ মিনিটে।
{{/usCountry}}বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার, লালগোলা-ঠাকুরনগর স্পেশাল ভোর ৪টে ৫০ মিনিটে ছাড়বে। নামখানা-ঠাকুরনগর স্পেশাল সকাল ৫টায় ছাড়বে। ঠাকুরনগর-লালগোলা স্পেশাল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুপুর ৩টে ৪৫ মিনিটে ছাড়বে। ঠাকুরনগর-নামখানা স্পেশাল ছাড়বে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিকেল ৪টে ০৫ মিনিটে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, শুধু মতুয়া মেলাই নয়। ইদের জন্যও বেশ ভিড় দেখা যায় এই সময় ট্রেনে বাসে।উৎসবের মরশুমের সেই ভিড় সামলাতেও রেলের এই উদ্যোগ সহযোগিতা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।