Udayan Guha Arrest Update: 'সরকারি হাসপাতালে শিশু ইউনিটের জন্য কোটি-কোটি টাকা তোলেন', গ্রেফতার উদয়ন গুহ
Udayan Guha Arrest Update: গ্রেফতার করা হল প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে। অভিযোগ উঠেছে, ‘সরকারি হাসপাতালে শিশু ইউনিটের জন্য কোটি-কোটি টাকা তোলেন’ প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আছে।
Udayan Guha Arrest Update: তোলাবাজি-সহ একগুচ্ছ অভিযোগে প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে গ্রেফতার করা হল। সূত্রের খবর, আজ কলকাতার ফুলবাগানের ফ্ল্যাট থেকে দিনহাটার প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করেছে কোচবিহার থানার পুলিশ। তাঁকে ফুলবাগান থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তারপর পেশ করা হবে আদালতে। সেখান থেকে তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে কোচবিহারে নিয়ে যাওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। যদিও গ্রেফতারির সময় প্রাক্তন মন্ত্রী দাবি করেন, কী কারণে পাকড়াও করা হয়েছে তাঁকে, সে বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাঁর কথায়, ‘কিচ্ছু বলব না। আমি জানিই না যে কেন গ্রেফতার করেছে।’

সরকারি হাসপাতালের জন্য টাকা তুলেছিলেন উদয়ন?
তবে সূত্রের খবর, সরকারি হাসপাতালে শিশু ইউনিটের জন্য উদয়ন বাজার থেকে কোটি-কোটি টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ জমা পড়েছিল। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগকারী রূপম সাহা বলেছেন যে এটা হওয়ারই ছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময় সরকারি হাসপাতালে শিশুমঙ্গল সমিতির নামে কোটি-কোটি টাকা তুলেছিলেন। কমপক্ষে ২০-২৫ কোটি টাকা তুলেছিলেন। কিন্তু ৪০-৪৫ লাখ টাকার কাজও করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যক্তি।
তাঁর উপরে হামলার ঘটনায় উদয়নের দিকে আঙুল তুলেছিলেন শুভেন্দু
এমনিতে উদয়নের নামে প্রচুর অভিযোগ আছে। গত বছর অগস্টে তাঁর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তীতে তিনি বলেছিলেন, ‘গত ৫ অগস্ট উদয়ন গুহের নির্দেশে কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি এলাকায় তাঁর গুন্ডারা আমার গাড়ির ওপর হামলা চালায়। ঘটনাটি রাজ্য সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ঢাকা দেওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করেছিল। পুলিশ কর্তৃক একটি স্বতঃপ্রণোদিত এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, যেখানে কৌশলে উদয়ন গুহের নাম বাদ দেওয়া হয়। আমি অপরাধীদের এত সহজে পার পেতে দেব না।’
আবাসের টাকা তোলারও অভিযোগ উদয়নের বিরুদ্ধে
তাছাড়াও ২০২৪ সালের নভেম্বরে বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, 'আবাস যোজনা থেকে কাটমানি তোলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। না, এটা শুধু বিরোধীদের দাবি নয়, এবার এমনই দাবি করলেন তৃণমূলেরই রাজবংশী নেতা বংশীবদন বর্মন। শুধু রাজ্যবাসী নয়, জানে সারা দেশবাসী ,তৃণমূল মানেই চোর আর কাটমানি খোর।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


