France investment chances in WB: বাংলায় বিনিয়োগের পথে ফ্রান্স? মোদীর সফরের মধ্যেই হল বড় বৈঠক, হবে বাণিজ্য হাব?
France investment chances in WB: ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁদের বৈঠকের মধ্যেই ভারত-ফ্রান্সের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
France investment chances in WB: পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ ও ব্যবসার কতটা সুযোগ আছে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফ্রান্স সফরের মধ্যেই ভারতে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাস এবং ইন্দো-ফরাসি বণিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হল। মোদীর সফরের সময় উদ্ভাবন, বাণিজ্য, অসামরিক পরমাণু শক্তির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৯টি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। সেই আবহে পশ্চিমবঙ্গের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ভারত-ফ্রান্সের আর্থিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করার উপরে যখন জোর দেওয়া হচ্ছে, তখন পশ্চিমবঙ্গে ফরাসি কোম্পানিগুলির সামনে কী কী দরজা উন্মুক্ত আছে, তার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।

ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের ফলে লাভবান হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ
সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের (আইসিসি) সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট পার্থিব নেওটিয়া জানিয়েছেন, ভারত-ফ্রান্সের সম্পর্কের গ্রাফ যে ক্রমশ উপরে উঠছে, সেটার ফলে লাভবান হতে পারে পশ্চিমবঙ্গে। রাজ্য সরকার যে নয়া শিল্প এবং আর্থিক নীতি ঘোষণা করতে পারে বলে জল্পনা চলছে, তার ফলে বিভিন্ন ফরাসি সংস্থার কাছে নয়া সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। যে সংস্থাগুলি দু'দেশের মধ্যে সম্পর্কের মূল ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে কাজ করবে।
সূত্রের খবর, ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের আয়োজিত ওই আলোচনা চক্রে অংশগ্রহণকারীরা পরামর্শ দিয়েছেন যে আগামী পাঁচ বছরে ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার (১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) যে ব্রত নেওয়া হয়েছে, সেটার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ যাতে লাভবান হয়, সেজন্য রাজ্যকে আরও ভালোভাবে দুনিয়ার সামনে তুলে ধরতে হবে।
ফরাসি বিনিয়োগের আদর্শ স্থান হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ
বণিক গোষ্ঠীর মতে, পশ্চিমবঙ্গে থেকে ফ্রান্সে বিভিন্ন জিনিস রফতানি করার সুযোগ আছে। তাছাড়াও বন্দরের সংযোগ, ক্রমবর্ধমান স্টার্ট-আপ সেক্টরের ফলে ফরাসি বিনিয়োগের আদর্শ স্থান হয়ে উঠতে পারে পশ্চিমবঙ্গ।
পশ্চিমবঙ্গ হল ‘গেটওয়ে’
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের রফতানির অঙ্কটা ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ছিল। ২,০০০-র বেশি স্বীকৃত স্টার্ট-আপ আছে। শুধু তাই নয়, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বিমস্টেকের (ভারত, মায়ানমার, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, থাইল্যান্ড এবং বাংলাদেশ) গেটওয়ে হল পশ্চিমবঙ্গ। সবমিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ফরাসি বিনিয়োগের আদর্শ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে বণিক গোষ্ঠী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


