Friends Rape Girl in Bankura: বিকেলে বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে বেরিয়েছিলেন এক মহিলা। অভিযোগ, সেই সময় একদল যুবক তাঁকে আটকে মারধর করে। এরপর জোর করে তাঁর উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে টাকাও আদায় করা হয়েছে বলে দাবি মহিলার। বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন হরিয়ালগাড়া এলাকায় কয়েকদিন আগে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন বিকেলে এক বন্ধুর সঙ্গে হরিয়ালগাড়া এলাকায় ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ওই মহিলা। অভিযোগ, সেই সময় একদল যুবক তাঁদের পথ আটকায়। এরপর ওই মহিলাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আরও মারধর করা হয় এবং ধর্ষণ করা হয় বলে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগ, ঘটনার পরেও নির্যাতনের রেশ থামেনি। ভয় দেখিয়ে মহিলার কাছ থেকে জোর করে টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। ঘটনার পর মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় বাঁকুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
তদন্তে নেমে পুলিশ দু’জনকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের নাম লক্ষ্মীকান্ত বাউরি এবং সুশান্ত ঘোষ। পুলিশ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে তাঁদের ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত আরও কেউ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রবিবার ধৃত দু’জনকে বাঁকুড়া আদালতে পেশ করা হয়। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আপাতত জেলেই থাকতে হবে ধৃতদের।
{{/usCountry}}রবিবার ধৃত দু’জনকে বাঁকুড়া আদালতে পেশ করা হয়। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আপাতত জেলেই থাকতে হবে ধৃতদের।
{{/usCountry}}তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযোগের পুরো বিষয়টি যাচাই করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল, অভিযুক্তদের গতিবিধি এবং অভিযোগকারীর বয়ান-সহ বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার সময় সেখানে আর কেউ উপস্থিত ছিলেন কি না, অভিযুক্তদের সঙ্গে অন্য কারও যোগ ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে।
ঘটনাটি কয়েকদিন আগের হলেও পুলিশের তৎপরতায় দু’জন গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে অভিযোগের সঙ্গে জড়িত আরও কেউ থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিকে, এমন ঘটনা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সন্ধ্যার পর শহর লাগোয়া এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি উঠতে পারে বলেও স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন।