...
...
Next Story

Gangasagar Setu: আর জল পেরোতে হবে না! ১,৬৭০ কোটি টাকায় গঙ্গাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মমতার

মুড়িগঙ্গার উপরে গঙ্গাসাগর সেতু তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুড়িগঙ্গা নদীর উপরে গঙ্গাসাগর সেতু তৈরি করা হচ্ছে। যা দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করবে সাগরদ্বীপের কচুবেড়িয়াকে।

Published on: Jan 5, 2026, 14:46:07 IST
Advertisement

মুড়িগঙ্গার উপরে গঙ্গাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, কাকদ্বীপের আট নম্বর লট থেকে কচুবেড়িয়াকে যুক্ত করবে গঙ্গাসাগর সেতু। নয়া সেতুর ফলে সাগরদ্বীপে ব্যবসার সুবিধা হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে। জিনিসপত্রের দাম কমে যাবে। স্থানীয় কৃষিজাত পণ্যে কম খরচেই আনা যাবে। পর্যটনের বহর বাড়বে। দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো যাবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে বিরোধীদের খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে 'শুধু মুখে বলি না, কাজ করি।'

মুড়িগঙ্গার উপরে গঙ্গাসাগর সেতু তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুড়িগঙ্গার উপরে গঙ্গাসাগর সেতু তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে আজ শুধু গঙ্গাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন না মুখ্যমন্ত্রী, সাগরের উন্নয়নের জন্য আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। রাজ্য সরকার সূত্রের খবর, গঙ্গাসাগর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরে ভারত সেবাশ্রম সংঘে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাছাড়াও কপিল মুনি আশ্রমে পুজো দিতে পারেন। তারপর মঙ্গলবার কলকাতায় ফিরে আসার কথা আছে মুখ্যমন্ত্রীর।

গঙ্গাসাগর সেতু - একনজরে সাগরের নয়া ‘জীবন’

১) মুড়িগঙ্গা নদীর উপরে গঙ্গাসাগর সেতু তৈরি করা হচ্ছে। যা দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করবে সাগরদ্বীপের কচুবেড়িয়াকে। ফলে আমূল পালটে যাবে সাগরদ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

২) গঙ্গাসাগর সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৪.৭৫ কিলোমিটার। সেতুতে চারটি লেন থাকবে।

৩) নবান্ন সূত্রে খবর, গঙ্গাসাগর সেতুর আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ১,৬৭০ কোটি টাকা।

৪) রাজ্য সরকারের আশা, দু'বছরের মধ্যেই গঙ্গাসাগর সেতু তৈরি হয়ে যাবে।

৫) গঙ্গাসাগর সেতুর টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। লারসেন অ্যান্ড টুরবো পেয়েছে গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের দায়িত্ব।

গঙ্গাসাগর সেতুর ফলে কী কী লাভ হবে?

শুধু তাই নয়, সাগরে সহজেই বিভিন্ন কৃষিজাত পণ্য এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহণের কাজ সহজ হয়ে যাবে। বাড়বে পর্যটকের সংখ্যা। আবার ঘূর্ণিঝড় বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় উদ্ধারকাজে আরও গতি আসবে। সবমিলিয়ে গঙ্গাসাগর সেতুর হাত ধরে সাগরদ্বীপের আর্থিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত হবে। মজবুত হবে স্থানীয় অর্থনীতি। পর্যটনও বাড়বে বলে সরকারি আধিকারিকরা আশাপ্রকাশ করেছেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe