...
...
Next Story

Girish Park Clash: মোদীর ব্রিগেডের দিন গিরিশপার্ক হিংসা নিয়ে পুলিশি রিপোর্টে অসন্তোষ কমিশনের, চাওয়া হল নয়া প্রতিবেদন

ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফ থেকে গিরিশপার্কের ঘটনা রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। তাই আবারও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডাকা হয়নি, তা নতুন রিপোর্টে বলতে বলা হয়েছে।

Published on: Mar 19, 2026, 09:05:24 IST
Advertisement

নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশের দিন গিরিশপার্কে যে ঝামেলা হয়েছিল, তা নিয়ে ফের কলকাতা পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফ থেকে গিরিশপার্কের ঘটনা রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। তাই আবারও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডাকা হয়নি, তা নতুন রিপোর্টে বলতে বলা হয়েছে।

গিরিশ পার্ক সংঘর্ষ নিয়ে পুলিশি রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। (Alok dey)
গিরিশ পার্ক সংঘর্ষ নিয়ে পুলিশি রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। (Alok dey)

এর আগে পুলিশ যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া এফআইআর এবং গ্রেফতারি নিয়ে বলা হয়েছে। তবে রিপোর্টে বলা হয়নি, কেন এই ঘটনার জন্য আগাম প্রস্তত ছিল না পুলিশ। এদিকে গিরিশপার্কের হিংসায় পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মীদের মারধর, দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাঙচুর, বেআইনি জমায়েত-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে মোট ৯ জনকে গ্রেফতারও করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ, ব্রিগেডে মোদীর সভায় যোগ দিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে বিজেপি কর্মীরা কলকাতায় এসেছিলেন। সেই সময় বিজেপি কর্মীদের বহনকারী বাসের ওপর হামলা হয়। এদিকে তৃণমূল অভিযোগ করে, বিজেপি কর্মীরা নাকি মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনে থাকা 'বয়কট বিজেপি' পোস্টার ছিড়ে ফেলে। পরে মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা করে। তাতে নাকি শশী পাঁজা এবং একাধিক তৃণমূল কর্মী জখম হন। এদিকে তৃণমূলের হামলায় একাধিক বিজেপি কর্মীও জখম হন। তৃণমূল কর্মীদের ছোড়া পাথরের আঘাতে কারও কারও মাথা ফেটে যায়। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল। এদিকে পুলিশ ইচ্ছে করে বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করছে এই মামলায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe