Gosaba Shootout: নির্বাচনের আগে ফের বাংলায় ঝরল রক্ত। রাজনৈতিক হিংসার নিরিখে বিগত কয়েক বছরে দেশের শীর্ষ রাজ্যগুলির তালিকায় স্থান করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। তবে এবারে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। সঙ্গে পুলিশে সর্বস্তরে হয়েছে রদবদল। তা সত্ত্বেও রাজনৈতিক হিংসা জারি আছে। এই আবহে দক্ষিণবঙ্গের গোসাবায় শুটআউটের ঘটনা ঘটল। জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে গোসাবায়। সেই ঘটনায় ৩ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে গোসাবা থানার পুলিশ।

রিপোর্ট অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূপেন্দ্রপুর এলাকায় তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর নাম দিব্যেন্দু গায়েন। এই শুটআউটের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি পলাশ মণ্ডল ছিলেন দিব্যেন্দুর সঙ্গেই। জানা গিয়েছে, দলের এক মিটিং শেষে দু'জনে বাড়ি ফিরছিলেন একসঙ্গে। সেই সময় পিছন থেকে এসে পাঁচ-ছ'জন দুষ্কৃতী গুলি ছুড়তে শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হন দিব্যেন্দু। তাঁর ডান পায়ে গুলি লাগে। এরপরই তাঁকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় দিব্যেন্দুকে। জানা গিয়েছে, দিব্যেন্দুর পিঠে গুলি লেগেছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে বিজেপির বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
এদিকে হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে পলাশ মণ্ডল চিহ্নিত করতে পেরেছিলেন। তিনি দাবি করেন, সেই হামলাকারীর নাম ভোলা প্রমাণিক। এই ভোলা নাকি স্থানীয় বিজেপি কর্মী। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ৩ বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এর পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও ব্যক্তিগত কারণে ঘটনাটি ঘটেছে কি না তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদিও ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।