রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির পরিষেবা নিয়ে নজরদারি আরও কড়া করতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করেছে রাজ্য সরকার। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, হাসপাতাল সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ, অনিয়ম বা জরুরি সমস্যার খবর সরাসরি জানানোর জন্য এই কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এর ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর নজরদারি আরও জোরদার হবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত সমস্যার সমাধান পাবেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, কন্ট্রোল রুমে নির্দিষ্ট ফোন নম্বর এবং হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে, যেখানে রোগী বা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। হাসপাতালের বেডের সমস্যা, চিকিৎসা সংক্রান্ত অভিযোগ, ওষুধের অভাব, দুর্ব্যবহার কিংবা অন্য কোনও অনিয়মের তথ্যও সেখানে জানানো যাবে। অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সরকারি হাসপাতালকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। চিকিৎসা পরিষেবার মান, রোগী পরিষেবা এবং প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর সরাসরি নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনের একাংশের মতে, হাসপাতালগুলিতে কোথাও কোনও সমস্যা তৈরি হলে তা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের জন্য এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, কন্ট্রোল রুম থেকে জেলার হাসপাতালগুলির পরিস্থিতিও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং মেডিক্যাল কলেজগুলির পরিষেবা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সরকারের দাবি, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানুষের কাছে সহজলভ্য করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোগীদের অভিযোগ দ্রুত শোনা এবং তার সমাধানের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের উপর মানুষের আস্থা ফেরানোও অন্যতম লক্ষ্য বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, নতুন সরকারের স্বাস্থ্য খাতে নজরদারি বাড়ানোর বার্তা হিসেবেও এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে। এখন এই কন্ট্রোল রুম কতটা কার্যকরভাবে কাজ করে এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ কত দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।
{{/usCountry}}সরকারের দাবি, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানুষের কাছে সহজলভ্য করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোগীদের অভিযোগ দ্রুত শোনা এবং তার সমাধানের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালের উপর মানুষের আস্থা ফেরানোও অন্যতম লক্ষ্য বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, নতুন সরকারের স্বাস্থ্য খাতে নজরদারি বাড়ানোর বার্তা হিসেবেও এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে। এখন এই কন্ট্রোল রুম কতটা কার্যকরভাবে কাজ করে এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ কত দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।
{{/usCountry}}