...
...
Next Story

Boro Maa Naihati: চোরবাগান কাণ্ড যেন আর না হয়! দীপাবলির আগে নৈহাটির বড় মায়ের পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

Boro Maa Naihati: রীতি মেনে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনেই মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়েছে নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড় মা'র ১০৩তম বর্ষের খুঁটিপুজো। রবিবার কাঠামো পুজোর প্রস্তুতি শুরুর আগেই বড় মা'র মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণ দফতরের মন্ত্রী অর্জুন সিং।

Published on: Oct 25, 2026, 16:40:43 IST
Advertisement

Boro Maa Naihati: হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন। তারপরই কালীপুজো (Kali Puja 2026)। এই পুজোতেই বেশ কিছু বড়-বড় জায়গায় কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেন। তেমনই একটি পুজো হল বড় মায়ের পুজো। নৈহাটিতে মা কালীকে পুজো দিতে এবং তাঁর দর্শনের জন্য অগণিত মানুষের জমায়েত হয়। এবার এই পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক সরকার। তাই এবার নৈহাটির বড় মায়ের পুজোয় থাকছে না কোনও ভিআইপি গেট।

দীপাবলির আগে নৈহাটির বড় মায়ের পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের (সৌজন্যে এক্স )
দীপাবলির আগে নৈহাটির বড় মায়ের পুজো নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের (সৌজন্যে এক্স )

রীতি মেনে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিনেই মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়েছে নৈহাটির ঐতিহ্যবাহী বড় মা'র ১০৩তম বর্ষের খুঁটিপুজো। রবিবার কাঠামো পুজোর প্রস্তুতি শুরুর আগেই বড় মা'র মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহণ দফতরের মন্ত্রী অর্জুন সিং। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তাপস ঘোষ-সহ মন্দির কমিটির সদস্যরা। বড় মায়ের মন্দির ও বিসর্জনের ঘাট ঘুরে দেখেন অর্জুন সিং। বড় মা'র খুঁটিপুজোকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। এদিন মন্দিরে উপস্থিত হয়ে ভিআইপি সংস্কৃতি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। তিনি বলেন, বড়মার মন্দিরে কোনও ভিআইপি কালচারের প্রয়োজন নেই। মায়ের কাছে কেউ ভিআইপি নন, সবাই সমান।

চোরবাগানের মতো ঘটনা যাতে আর না সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। মন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, 'চোরবাগানের ঘটনা আর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আমরা আগে থেকে ব্যারিকেড দিয়ে দেব। প্রতিমা কীভাবে বিসর্জন হবে সবটা দেখে নেব। এছাড়া পুলিশ, এনজিও আমাদের কার্যকর্তা সবই থাকবে।' প্রত্যেক ভক্ত যাতে সমানভাবে মায়ের কাছে পুজো দেওয়ার সুযোগ পান, সেই ব্যবস্থার উপরেই জোর দেন তিনি। বড়মার পুজোকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখে মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মহাষ্টমীর দিন উত্তর কলকাতার চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গাপুজো প্যান্ডেলে পদদলিত হন বেশ কয়েকজন মানুষ। ১৭ অক্টোবর সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। সেই সময় বৃষ্টির জন্য বহু দর্শনার্থী মণ্ডপ থেকে না বেরিয়ে তার ভিতরেই ভিড় জমাতে থাকেন। মণ্ডপরে একাংশ কোনওভাবে ভেঙে পড়ে। সেটি আবার মাইকে জানানো হয়। এর জেরে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ে। সকলেই ছোটাছুটি করে মণ্ডপ থেকে বেরতে শুরু করেন। ভিড়ের চাপে প্রায় ১৯ জন প্রাণ হারান। সেই ঘটনার যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks