...
...
Next Story

STF: মুখ্যমন্ত্রীর চিনার পার্কের বাড়ির কাছে একাধিকবার রেকি! সিসি ক্যামেরার ভয়ে ছবি তোলার ঝুঁকি নেয়নি হামিম

STF: গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর জালে ধরা পড়ে হামিম মণ্ডল। তারপরেই সেই সূত্র ধরে ঝাড়খণ্ড থেকে হামিমের বান্ধবী সরকার ও গতকাল, সোমবার হাওড়া থেকে তার শাগরেদ আদিত্য সিং-কে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা।

Published on: Aug 4, 2026, 14:05:41 IST
Advertisement

STF: জঙ্গিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পাচ্ছেন এসটিএফ আধিকারিকরা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই ছক অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশে একাধিকবার রেকিও (সরেজমিনে খতিয়ে দেখা) করেছিল হামিম মণ্ডল।

সিসি ক্যামেরার ভয়ে ছবি তোলা থেকে বিরত

মুখ্যমন্ত্রীর চিনার পার্কের বাড়ির কাছে একাধিকবার রেকি হামিম মণ্ডলের (PTI)
মুখ্যমন্ত্রীর চিনার পার্কের বাড়ির কাছে একাধিকবার রেকি হামিম মণ্ডলের (PTI)

গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর জালে ধরা পড়ে হামিম মণ্ডল। তারপরেই সেই সূত্র ধরে ঝাড়খণ্ড থেকে হামিমের বান্ধবী সরকার ও গতকাল, সোমবার হাওড়া থেকে তার শাগরেদ আদিত্য সিং-কে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ছবি তোলারও চেষ্টা করেছিল হামিম। কিন্তু গোটা চত্বর সিসি ক্যামেরায় মোড়া থাকায় চিহ্নিত হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল তার। জেরায় হামিম জানিয়েছে, পাকিস্তানে বসে থাকা হ্যান্ডলাররা তাকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিল, ছবি বা ভিডিও তোলার কাজ যেন কোনওভাবেই সিসি ক্যামেরায় ধরা না পড়ে! সেই কারণেই শেষ মুহূর্তে ছবি তোলার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে সে।

টাওয়ার লোকেশনে ফাঁস রেকির তথ্য

এসটিএফ সূত্রে খবর, হামিমের গতিবিধি নিশ্চিত করতে তার মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। সেখানেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির আশেপাশে বেশ কয়েকবার ঘোরাঘুরি করেছিল সে। প্রথমে এই রেকির কথা অস্বীকার করলেও অকাট্য প্রমাণের মুখে ভেঙে পড়ে হামিম। পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে স্বীকার করে, বেশ কয়েক বার মুখ্যমন্ত্রীর চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশে রেকি করতে গিয়েছিল সে। এমনকী শুভেন্দু অধিকারী যে পথ ধরে যাতায়াত করেন, সেগুলিতেও রেকি করা হয়েছিল।

‘হানিট্র্যাপ’-এর ফাঁদ ও নাশকতার ছক

এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসার পরই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান, খুন এবং নাশকতার মাধ্যমে রাজ্যে বড়সড় অস্থিরতা তৈরির সুপরিকল্পিত ছক কষেছিল পাক গুপ্তচর সংস্থার হয়ে কাজ করা শাহজাদ ভাট্টি গোষ্ঠী। তবে বিপদ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। হামিম বাদেও এ রাজ্যে অন্য কাউকে দিয়ে ভাট্টি গোষ্ঠী আরও একটি সমান্তরাল স্লিপার সেল বা নেটওয়ার্ক তৈরি করে থাকতে পারে, এমন গভীর আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারী আধিকারিকরা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe