...
...
Next Story

Newtown News: 'চার মাস ধরে লিভ ইন...,' ফ্ল্যাটের দরজা ভাঙতেই হতবাক পুলিশ, নিউটাউনে ভয়ঙ্কর পরিণতি ইনফ্লুয়েন্সার তরুণীর

Body of young woman recovered: পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সম্পর্কে অশান্তির কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তরুণীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পায়ে রয়েছে ক্ষত চিহ্ন।

Published on: Jul 20, 2026, 18:04:05 IST
Advertisement

Body of young woman recovered: চার মাস ধরে সহবাস। লিভ-ইন সম্পর্কের ফের ভয়ঙ্কর পরিণতি! এবার খাস কলকাতাতেই শিউরে ওঠা কাণ্ড। নিউটাউনের আবাসনে রহস্যজনক ভাবে এক তরুণীর মৃত্যুতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রবিবার রাতে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই ফ্ল্যাট থেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে তাঁর লিভ-ইন সঙ্গীকেও।

নিউটাউনে ভয়ঙ্কর পরিণতি নেটপ্রভাবী তরুণীর (সৌজন্যে টুইটার)
নিউটাউনে ভয়ঙ্কর পরিণতি নেটপ্রভাবী তরুণীর (সৌজন্যে টুইটার)

মৃতার নাম তৃষা সাহা (২৫)। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা ব্যারাকপুরে। সূত্রের খবর, চার মাস আগে থেকে সৌভিক রায় নামে নৈহাটির এক যুবকের সঙ্গে নিউটাউনের চন্ডীবেড়িয়াতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে একত্রবাসে থাকতে শুরু করেছিল তৃষা সাহা। এই সৌভকিকেও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর হাতের শিরা কাটা ছিল। এই মুহূর্তে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কিন্তু পুরো ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। তৃষা সাহার মৃত্যুর কারণও এখনও পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। তৃষার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে। জোরকদমে চলছে তদন্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তৃষার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। একটি ঘর থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় সৌভিককে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সম্পর্কে অশান্তির কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তরুণীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পায়ে রয়েছে ক্ষত চিহ্ন। তাই সৌভিক ও তৃষার মধ্যে কোনও ঝামেলা হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্যদিকে, মারধর করে তৃষাকে ঝুলিয়ে দিয়ে সৌভিক রায় আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে কিনা সেটাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে। আপাতত আশেপাশের লোকজনকেও জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। পাশাপাশি, সৌভিকের বয়নাও এ ক্ষেত্রে পুলিশের রহস্য সমাধানে বড় অস্ত্র হতে পারে। তিনি কী ভাবে আহত হলেন, সেটাও জানার চেষ্টা চলছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘তৃষাকে মারধরের পর ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল কিনা এবং তার পর সৌভিক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন কি না, সে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। এখনই কোনও সিদ্ধান্তে আসছি না আমরা। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৌভিকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ওই যুবকের হাতের শিরা কাটা। ওই অবস্থায় তিনি প্রেমিকার ঝুলন্ত দেহ জড়িয়ে ধরিয়েছিলেন হয়তো। তাই মৃতার পায়েও রক্ত লেগে ছিল।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe