...
...
Next Story

Hanskhali Gangrape: 'অ্যাফেয়ার' বলেছিলেন মমতা, সেই হাঁসখালি ধর্ষণ মামলায় TMC নেতার ছেলের আমৃত্যু জেল, সাজা তৃণমূল নেতারও

হাঁসখালি গণধর্ষণ মামলায় তৃণমূল নেতার ছেলে সোহেল গয়ালি সহ ৩ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। তবে ৩ বছর আগে হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'মেয়েটার শুনেছি অ্যাফেয়ার ছিল! একে কি ধর্ষণ বলবেন?'

Published on: Dec 23, 2025, 13:57:08 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

নদিয়ার রানাঘাটের হাঁসখালির জন্মদিনের পার্টি রয়েছে বলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল একটি বাড়িতে। সেখানেই এক নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই মামলায় তৃণমূল নেতার ছেলে সোহেল গয়ালি সহ ৩ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সাজাপ্রাপ্ত অপর দু'জনের নাম - প্রভাকর পোদ্দার এবং রণজিৎ মল্লিক। এদিকে সোহেলের বাবা তথা তৃণমূল নেতা সমরেন্দ্র গয়ালি, দীপ্ত গয়ালি এবং আরও এক জনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এদিকে দোষীদের মধ্যে একজন ঘটনার সময় নাবালক ছিল, তাই তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে নজরদারিতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

হাঁসখালি গণধর্ষণ মামলায় তৃণমূল নেতার ছেলে সোহেল গয়ালি সহ ৩ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
হাঁসখালি গণধর্ষণ মামলায় তৃণমূল নেতার ছেলে সোহেল গয়ালি সহ ৩ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল নদিয়ায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে মদ খাইয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'মেয়েটার শুনেছি অ্যাফেয়ার ছিল! একে কি ধর্ষণ বলবেন?' অবশ্য নির্যাতিতা অভিযোগকারীর বক্তব্য ছিল, বগুলার একটি বাড়িতে জন্মদিনের পার্টি রয়েছে বলে ওই নাবালিকাকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই পার্টিতেই তাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। প্রবল রক্তক্ষরণের জেরে পরের দিন মৃত্যু হয় সেই নাবালিকার। পরে চিকিৎসকের শংসাপত্র ছাড়াই তড়িঘড়ি গ্রামের এক অ-নথিভুক্ত শ্মশানে দেহ দাহ করা হয়। সেই ঘটনার চার দিন পর কিশোরীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সেই সময় হাঁসখালি মামলা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'মেয়েটির লভ অ্যাফেয়ার্স ছিল।' তাঁর কথায়, 'পুলিশ এখনও বিষয়টাই জানতে পারেনি। এই যে বারবার দেখাচ্ছে, একটা বাচ্চা মেয়ে নাকি মারা গিয়েছে রেপড হয়ে। আপনি রেপড বলবেন? নাকি প্রেগন্যান্ট বলবেন? না লাভ অ্যাফেয়ার্স বলবেন? মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে? নাকি কেউ ধরে দু’টো চড় মেরেছে? শরীরটা খারাপ হয়েছে। প্রেমের সম্পর্ক তো ছিলই শুনেছি। বাড়ির লোক, পাড়ার লোকেরাও জানত। এখন যদি কোনও ছেলেমেয়ে, কেউ কারও সঙ্গে প্রেম করে, আমার পক্ষে তাকে আটকানো সম্ভব নয়।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe