আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে দেওয়া কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় থাকা হুমায়ুন কবিরকে আর সেই সুবিধা দেওয়া হবে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, হুমায়ুনের নিরাপত্তায় থাকতেন ১৩ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, একজন ইন্সপেক্টর, একজন সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার ও ১১ জন কনস্টেবল। ভোটের সময় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছিল। সেই নিরাপত্তারক্ষীদের তুলে নিল অমিত শাহের মন্ত্রক।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাম্প্রতিক পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখার পরই হুমায়ুন কবিরের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে জানা যায়। এর ফলে এতদিন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা তিনি পেতেন, তা আর বহাল থাকবে না। হুমায়ুন কবির দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বক্তব্য এবং বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থেকেছেন। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক মন্তব্য অতীতে শিরোনামে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এদিকে নিরাপত্তা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে হুমায়ুন কবির নিজেও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি বিচলিত নন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের মধ্যেই তাঁর সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা রয়েছে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে তিনি কোনও সমস্যার আশঙ্কা করছেন না। হুমায়ুন অবশ্য পরে আবার বলেন, নিরাপত্তার দাবিতে তিনি আবার আদালতের দ্বারস্থ হবেন বৃহস্পতিবার। তাঁর প্রশ্ন, অধীর চৌধুরী, নওশাদ সিদ্দিকির নিরাপত্তা তুলল না, তাহলে তাঁর নিরাপত্তা কেন প্রত্যাহার করা হল?
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের ফলে ভবিষ্যতে হুমায়ুন কবিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রয়োজন হলে রাজ্য পুলিশের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে হুমায়ুন নিজেও জানান, রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তারক্ষী পাঠানো হবে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবেই নয়, রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। হুমায়ুন কবিরকে ঘিরে চলমান রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের ঘটনা নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
{{/usCountry}}কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের ফলে ভবিষ্যতে হুমায়ুন কবিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রয়োজন হলে রাজ্য পুলিশের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে হুমায়ুন নিজেও জানান, রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তারক্ষী পাঠানো হবে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবেই নয়, রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। হুমায়ুন কবিরকে ঘিরে চলমান রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের ঘটনা নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
{{/usCountry}}