Taslima Nasrin on Kolkata stay: চিরকালের মতো কলকাতায় থেকে যেতে পারি..., ঘোর কাটছে না তসলিমার, ধন্যবাদ শুভেন্দুকে
Taslima Nasrin on Kolkata stay: প্রায় দু'দশক পরে কলকাতায় মুগ্ধতা কাটছে না তসলিমা নাসরিনের। ২০০৭ সালের সেই অশান্তির পরে কলকাতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। তারপর ২০২৬ সালে ফের কলকাতায় পা রেখে জানালেন যে মহানগরীতে স্থায়ীভাবেই থাকতে পারেন।
Taslima Nasrin on Kolkata stay: প্রায় দু'দশক ‘বাড়ি’ কলকাতায় ফিরে আবেগে ভেসে গিয়েছেন তসলিমা নাসরিন। ঘিরে ধরেছে মুগ্ধতা। এতদিন পরে যে নিজের প্রিয় শহরে ফিরতে পেরেছেন, সেজন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। শুধু তাই নয়, তিনি জানিয়েছেন যে রাজ্য সরকার যদি সুরক্ষা দেয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে এসে থাকতে পারেন। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্যতম সেরা বাংলা সাহিত্যিক বলেছেন যে ‘নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে আমি অবশ্যই এখানে (পশ্চিমবঙ্গ বা কলকাতা) এসে থাকতে পারি। তবে রাজ্য সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যে আমি এখানে স্থায়ীভাবে থাকতে পারব কিনা।’

মৌলবাদীদের ভয় পেত মমতার সরকার, অভিযোগ তসলিমার
একটা সময় কলকাতায় থাকতেন তসলিমা। কিন্তু ২০০৭ সালে হিংসাত্মক বিক্ষোভের জেরে তাঁকে কলকাতা ছাড়তে বলা হয়েছিল। ভেবেছিলেন যে শীঘ্রই ফিরে আসবেন তিলোত্তমায়। কিন্তু সেটা হয়নি। বাম সরকারের পতনের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলেও ফেরার সুযোগ হয়নি কলকাতায়। লেখিকার দাবি, উগ্রবাদী ও মৌলবাদীদের ভয় পেতেন মমতারা।
মন্ত্রীর মতো নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে তসলিমা নাসরিনকে
তবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কলকাতায় ফিরেছেন বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী তসলিমা। সূত্রের খবর, রাজ্যের মন্ত্রীকে যেমন নিরাপত্তা দেওয়া হয়, সেরকমই সুরক্ষা বলয় তৈরি করা হয়েছে তসলিমার জন্য। রাখা হয়েছে এসকর্ট গাড়ি। প্রতিটি জায়গায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। কীভাবে তাঁকে নিশ্চিন্দ্র নিরাপত্তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করেছে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ। যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও।
রবীন্দ্র সদনে নিরাপত্তার বলয় তৈরি রাখা হয়েছে
আর সেই কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই আজ কলকাতার রবীন্দ্র সদনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা আছে তসলিমার। যেখানে তাঁকে সংবর্ধনা জানাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশ সূত্রে খবর, রবীন্দ্র সদনেও কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। কোনওরকম ফাঁকফোকর রাখা হচ্ছে না নিরাপত্তায়। যাঁরা লেখিকার কাছাকাছি যাবেন, তাঁদের খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হবে। অনুষ্ঠানে ছাতা, জলের বোতলের মতো জিনিস নিয়ে ঢোকা যাবে না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


