Bengal Govt Health Scheme Rules: কারা কারা 'মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’-রও সুযোগ পাবেন না? শর্ত জানাল রাজ্য
Bengal Govt Health Scheme Rules: ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’ চালু করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। যাঁরা আয়ুষ্মান প্রকল্পের আওকায় নেই, তাঁরা সেই প্রকল্পের আওতায় নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। তবে কারা ওই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না?
Bengal Govt Health Scheme Rules: আয়ুষ্মান ভারতের শর্তপূরণ হচ্ছে না? ফলে আবেদন করতে পারছেন না কেন্দ্রীয় সরকারি স্বাস্থ্যবিমায়? তাঁদের জন্য যে ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’ চালু করা হবে, তা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের যে স্থায়ী বাসিন্দারা স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় থাকলেও আয়ুষ্মান যোজনার শর্তপূরণ করতে পারেননি, তাঁদের ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’-র আওতায় আনা হবে। তবে সেক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

কারা কারা এই স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাবেন না?
১) পরিবারের বার্ষিক আয় যদি আট লাখ টাকার বেশি হয়, তাহলে এই স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা মিলবে না। ওই প্রকল্পের জন্য নথিভুক্ত করা যাবে না নাম।
২) ২০০৮ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্যবিমা (ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম), ১৯৫৪ সালের কেন্দ্রীয় সরকারি স্বাস্থ্যবিমা (সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেলথ স্কিম বা CGHS), কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকারির আওতাধীন সংস্থার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিমা, নগর স্বায়ত্ত্বশাসন সংস্থার স্বাস্থ্যবিমার আওতায় থাকলে শুভেন্দু সরকারের নয়া পারিবারিক স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাবেন না।
৩) নিয়মিত চিকিৎসা ভাতা প্রাপকরা সেই স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাবেন না।
৪) এই স্বাস্থ্যবিমার আওতার বাইরে থাকবে ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে থাকা প্রবীণ নাগরিকরা।
৫) ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) সময় যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা এই স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাবেন না। তবে যাঁদের আবেদন এখনও ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হয়নি, তাঁরা এই প্রকল্পে যুক্ত হতে পারবেন। একই বিষয় প্রয়োজ্য হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে।
‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’-য় কী সুবিধা মিলবে?
১) বার্ষিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মিলবে। অর্থাৎ এই প্রকল্পের আওতায় কোনও রি-ইম্বার্সমেন্টের কোনও ব্যাপার নেই।
২) অতীতের কোনও অসুখ বা শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে।
৩) পরিবারে যতজন সদস্য আছেন, তাঁদের জন্য আলাদা কার্ড থাকবে।
৪) পুরো বিষয়টির উপরে কড়া নজরদারি চলবে। আধারভিত্তিক বায়োমেট্রিকের প্রয়োজন হবে ওই প্রকল্পে নাম নথিভুক্তকরণের সময় বা হাসপাতালে ভরতি ও ছুটি পাওয়ার সময়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


