Bengal New Thermal Power Plants: বাংলায় ৩ নয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে, ২টিই পুরুলিয়ায়, ৩০০০০ কোটি টাকার লগ্নির আশা
Bengal New Thermal Power Plants: পশ্চিমবঙ্গে তিনটি নয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। দুটিই হচ্ছে পুরুলিয়ায়। অপরটি কোথায় হবে? ওই তিনটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের হাত ধরে ৩০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসতে পারে।
Bengal New Thermal Power Plants: তিনটি নয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে অনুমোদন দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর সেই মেগা প্রকল্পের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গে ৩০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ওই তিনটি ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটিই হবে পিপিপি (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেলে। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর মহকুমার একটি সাঁওতালডিহিতে ওই দুটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। আর রাজ্য সরকার পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের (WBPDCL) অধীনে তৃতীয় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হবে বীরভূমে বক্রেশ্বরে।

সরকারি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১০,৭০০ কোটি টাকার লগ্নি
সূত্রের খবর, পিপিপি মডেলে যে দুটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে, তার হাত ধরে আগামী বছরচারেক বা বছরপাঁচেকে মোট ২০,০০০ কোটি টাকার লগ্নি আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেজন্য ইতিমধ্যে আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে। আবার বক্রেশ্বরের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিনিয়োগের অঙ্কটা ১০,৭০০ কোটি টাকার মতো হবে বলে সূত্রের খবর।
গ্রীষ্মের সময় চাহিদা বেশি থাকে, জোগানের অভাব হয়
সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে ওই তিনটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে দাবি করেছেন রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, গ্রীষ্মকালে যখন চাহিদা তুঙ্গে থাকে, তখন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার আওতাধীন অঞ্চলে ১০,০০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা এবং পশ্চিমবঙ্গ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড মিলিয়ে সেই চাহিদা মেটাতে পারে না। বর্তমানে দুটি সংস্থার মিলিত ক্ষমতা ৭,০০০ মেগাওয়াটের আশপাশে আছে।
আত্মনির্ভর হবে পশ্চিমবঙ্গ
সেই পরিস্থিতিতে বাকি চাহিদা মেটাতে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থা এনটিপিসি এবং দামোদম ভ্যালি কর্পোরেশনের (ডিভিসি) মতো সংস্থার থেকে বিদ্যুৎ নিতে হয় বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, অনেক সময় খোলা বাজার থেকে বাড়তি টাকা দিয়েও বিদ্যুৎ কিনতে হয়। সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে এবং আত্মনির্ভর হতেই তড়িঘড়ি এত ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির পথে হেঁটেছে রাজ্য সরকার।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


