Bengal Metro and Kalyani Airport: কলকাতার মতো চলবে না দুর্গাপুর-শিলিগুড়ি মেট্রো! কল্যাণী বিমানবন্দরের জমি চিহ্নিত
Bengal Metro and Kalyani Airport: কলকাতা মেট্রোর ধাঁচে চলবে না দুর্গাপুর-আসানসোল এবং শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি মেট্রো। তারইমধ্যে কল্যাণী বিমানবন্দরের জন্য জমি চিহ্নিত করে ফেলা হয়েছে। ওই প্রস্তাবিত বিমানবন্দরের জমি কোথায়?
Bengal Metro and Kalyani Airport: কল্যাণীতে বিমানবন্দর তৈরির জন্য ২,০০০ একর জমি চিহ্নিত করে ফেলল রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, যে জমি চিহ্নিত করা হয়েছে, তা কল্যাণী এইমসের একেবারে গা ঘেঁষেই আছে। সেখান থেকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের দূরত্বও বেশি নয়। আর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে এক ঘণ্টাও লাগবে না বলে ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে। আর কল্যাণীতে বিমানবন্দরের কাজের মধ্যেই দুর্গাপুর-আসানসোল এবং শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি মেট্রো নিয়েও রাজ্য সরকারের তরফে তোড়জোড় শুরু করা হচ্ছে। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ওই দুটি ‘সিটি মেট্রো’ করিডরের সমীক্ষার বরাত তুলে দেওয়া হয়েছে রাইটসের হাতে।

দুর্গাপুর-আসানসোল ও শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি মেট্রোর সমীক্ষায় রাইটস
এবার বাজেটেই দুর্গাপুর-আসানসোল এবং শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি মেট্রো করিডরের ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপরই দ্রুত কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেইমতো রাইটস খতিয়ে দেখবে যে ওই দুটি মেট্রো করিডর করা সম্ভব কিনা, কতটা লাভজনক হবে সেই প্রকল্প। সেটা সমীক্ষার ভিত্তিতে ডিটেলড প্রজেক্ট রিপোর্ট বা ডিপিআর তৈরি করা হবে।
কলকাতা মেট্রোর ধাঁচে চলবে না দুর্গাপুর-শিলিগুড়ি মেট্রো
মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মেট্রো প্রকল্পে যেমনভাবে অর্থ জোগাড় হয়, সেটাই অনুসরণ করা হবে দুর্গাপুর-আসানসোল এবং শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি প্রকল্পের ক্ষেত্রে। ওই প্রকল্পের খরচ ভাগ করে নেবে কেন্দ্রীয় সরকারের আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রক এবং রাজ্য সরকার। অর্থাৎ কলকাতা মেট্রোর মতো হবে না। কলকাতার মেট্রো সরাসরি রেল মন্ত্রকের আওতায় আসে।
কোথায় জমি চিহ্নিত করা হল কল্যাণী বিমানবন্দরের?
তারইমধ্যে কল্যাণী বিমানবন্দরের (কলকাতার দ্বিতীয় বিমানবন্দর) ক্ষেত্রে যে জমি চিহ্নিত করা হয়েছে, তা চাকদা বিধানসভার অধীনে পড়ে। সূত্রের খবর, কল্যাণী এইমসের পিছনের দিক থেকে শিমুরালি পর্যন্ত জমি বিস্তৃত আছে। হয়েছে মাটি পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় ওই জমি পাশ করে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর।
আর সেই অগ্রগতির মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে সড়ক, জলপথ এবং উড়ানপথের পরিস্থিতি খারাপ করে দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে দুষেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, একটা সময় কলকাতা থেকে ইউরোপের অনেক শহরে বিমান চলাচল করত। কিন্তু মমতা সরকারের আমলে অধিকাংশ রুটেই বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


